প্রথম আলো অনুযায়ী, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন থেকে এক দিনে কমাতে চায়। সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিনের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি শনিবার (২৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। সমিতি উল্লেখ করেছে, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, থানা ও হাসপাতালের মতো জরুরি সেবা বন্ধ রাখা যায় না; তেমনি ব্যাংকও এক দিনের বেশি বন্ধ রাখা উচিত নয়।
দীর্ঘ ছুটির প্রভাব
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার ও শনিবারের পাশাপাশি ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, পূজা, বড়দিন ইত্যাদি সরকারি ছুটির ফলে ব্যাংকগুলো বছরে ১২০ থেকে ১৩০ দিন বন্ধ থাকে। এই দীর্ঘ বন্ধের ফলে ব্যাংকিং লেনদেনে উল্লেখযোগ্য বাধা সৃষ্টি হয় এবং সুদের হার ১৪‑১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫‑৩০ শতাংশে পৌঁছায়। সমিতি দাবি করে, লম্বা ছুটির ফলে পর্যটন, জ্বালানি, হোটেল‑রেস্তোরাঁসহ অন্যান্য খুচরা ও পাইকারি খাতে ব্যবসায়ীরা লাখ‑কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়ে।
এছাড়া, সমিতি উল্লেখ করেছে যে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে এখন ৫‑৬ ঘণ্টার বেশি সময় লাগে না, তবুও দীর্ঘ ছুটির ফলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই বৃদ্ধি পায়, যা ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ায়।
ইত্তেফাক, দেশ রূপান্তর, সমকাল ও ঢাকা পোস্টসহ অন্যান্য মিডিয়া এই দাবিকে একইভাবে প্রতিবেদন করেছে এবং সমিতির প্রেস রিলিজের মূল বিষয়গুলো পুনরায় উল্লেখ করেছে। কোনো তথ্যগত পার্থক্য প্রকাশিত হয়নি।
সমিতি শেষ পর্যন্ত জোর দিয়ে বলেছে, ব্যবসায়ীদের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য ছুটির ফাঁদে দেশকে ফেলা যাবে না এবং ব্যাংককে আর্থিক সেবা খাতের অংশ হিসেবে এক দিনের বেশি বন্ধ রাখা উচিত নয়।






