সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১৪৴টি ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। ফলে এসব ফ্লাইটের ২২ হাজার ২১ যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন—এ তথ্য জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
শনিবার রাত সাড়ে ১১টার পর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে বেবিচক। সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ফ্লাইট চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদি আরবের সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর হয়ে চলাচলকারী ট্রানজিট ফ্লাইটও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২৮টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১৯টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে। ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ৩০টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস জানায়, সৌদি আরবের দাম্মামগামী ফ্লাইট ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এবং রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। এর আগে দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালু করেছিল সংস্থাটি; বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে দাম্মামের উদ্দেশে একটি ফ্লাইট ছেড়ে যায়, পরে আবার ফ্লাইট স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বিমান জানিয়েছে, ঢাকা থেকে জেদ্দা ও মদিনাগামী ফ্লাইট পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলাচল করছে। রিয়াদ ও দাম্মামগামী যাত্রীদের জরুরি প্রয়োজনে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যাতায়াতের সুযোগ রয়েছে।
এ ঘটনা নিয়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদন।






