আজকের পত্রিকা অনুসারে, খুলনা শহরের বাবুখান রোডে সন্ধানী ক্লিনিকের সামনে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়ে ক্লিনিকের সামনের অংশ ভাঙচুর করেছে। ঘটনাটি শনিবার রাতে ঘটেছে; কিছু সূত্রে রাত ৯টা, অন্য সূত্রে রাত ৯:৩০টা উল্লেখ করা হয়েছে।
গোলিবারু করার পর ৭‑৮ জন যুবক (কিছু রিপোর্টে ৮‑১০ জন) ক্লিনিকে প্রবেশ করে চেয়ারের কাচ, টেবিল ও ক্যাশ কাউন্টার ভাঙচুর করেছে, তবে ক্ষতির পরিমাণ নির্দিষ্ট করা হয়নি।
গুলির ফলে গৃহস্থ মুদি দোকানী ধনঞ্জয় কুণ্ডু (ব্রহ্মা নাম আকাশ কুণ্ডু, বয়স ৪৫) গুলিবিদ্ধ হন। তিনি টুটপাড়া গাছতলা মন্দিরের সামনে দোকানে বসে থাকাকালীন গুলির শিকার হন এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সমকালের প্রতিবেদনে অতিরিক্ত তথ্য পাওয়া যায়: ক্লিনিকের এক কর্মকর্তা সুরেশ রায় গুলির ফলে আহত হয়েছেন এবং হুমকির সময় রিপোর্ট প্রদানকারী ইকবাল হোসেনের মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, একই সন্ধ্যায় ২৫ বছর বয়সী সম্রাট ঢালী নামের এক যুবক চুরির সময় ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পড়ে মারা যান; তিনি ২৩ অক্টোবর দুপুর ২টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একই দিনে তেরখাদা উপজেলায় রামিম বিশ্বাস (বয়স ৩২) নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হন; তিনি রামিম যুবদলের সঙ্গে যুক্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তেরখাদা থানার ওসি আহমেদ আলী বিশ্বাসের মতে, রামিম যুবদল রাজনৈতিক ও মাদক সংক্রান্ত কার্যকলাপে জড়িত, যা এই ঘটনার পেছনে কারণ হতে পারে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, এই গুলি ও ভাঙচুরের উদ্দেশ্য আতঙ্ক সৃষ্টি করা। পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির বল প্রয়োগের ওপর মন্তব্য করে বলেন, গত ১৭ বছরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সমাজে মাদককে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।
পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং সংশ্লিষ্ট সব দিক বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।






