সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি (বাংলা ট্রিবিউন) জানালেন যে দেশটি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগদানের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করছে।
আসাদ আল-সাইবানি (ঢাকা পোস্ট) একই কথা বলেছেন, উল্লেখ করে যে সিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটটি গত আগস্টে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে বলা হয়েছে যে একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা সকলের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে।
পাকিস্তান ও তুরস্ক সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যদিও তুরস্ক জানিয়েছে যে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে থাকা সৌদি আরবে তারা সৈন্য পাঠাবে না।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার (বাংলা ট্রিবিউন) / আহমেদ আল সারার (ঢাকা পোস্ট) মতে, সৌদি আরব সিরিয়ার প্রধান সমর্থক।
আসাদ আল-শাইবানি উল্লেখ করেছেন যে ইসরায়েল গত দুই বছরের মধ্যে সিরিয়ায় ১,০০০ টিরও বেশি হামলা চালিয়েছে, যার ফলে বহু মানুষ নিহত হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন কীভাবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র কেবল রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি যৌক্তিক হতে পারে।
সিরিয়া ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানায় এবং সকল পক্ষকে রাষ্ট্রের ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সমর্থনের আহ্বান জানায়।
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটকে কখনও কখনও “মুসলিম ন্যাটো” বলা হয়, কারণ এটি ন্যাটোর মতো একটি সমষ্টিগত প্রতিরক্ষা কাঠামো।
সোর্স: বাংলা ট্রিবিউন, ঢাকা পোস্ট, ইত্তেফাক।






