আজকের পত্রিকা অনুসারে, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানায় হাজতে থাকা নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা শাহ তপুরের ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানসহ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ অবহেলার অভিযোগে এক উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদি ও এক নারী কনস্টেবল আফসানা মিমিকে প্রত্যাহার করে লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ভিকটিমের পরিবার অনুযায়ী, শাহ তপুরকে ২৩ অক্টোবর (শুক্রবার) দুপুরে আউশকান্দি ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সন্দেহভাজন হিসেবে থানায় হাজতে রাখা হয়। একই গ্রামে পানি দেওয়ার কাজে যাঁকে পাঠানো হয়, শাহ জুয়েল, যিনি শাহ শুকুর আলীর পুত্র, তিনি মোবাইল ফোনে কৌশলে ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থানা নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর প্রশ্ন ওঠে। পুলিশ শাহ জুয়েলকেও একই সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে।

নবীগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ আবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার সময় ডিউটি অফিসার এসআই মেহেদি ও নারী কনস্টেবল আফসানা মিমিকে ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করে লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং অন্যান্য দিক নিয়ে তদন্ত চলছে।

অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেও একই ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলা ট্রিবিউন (২৪ অক্টোবর) এবং একাত্তর টিভি (২৪ অক্টোবর) উভয়ই এসআই মেহেদি ও কনস্টেবল আফসানা মিমির প্রত্যাহারকে উল্লেখ করেছে, তবে তারা ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার তারিখকে ২৪ অক্টোবর হিসেবে উল্লেখ করেছে, যেখানে আজকের পত্রিকায় ২৩ অক্টোবর উল্লেখ করা হয়েছে। চ্যানেল ২৪-ও একই তথ্য প্রকাশ করেছে, তবে তারিখের উল্লেখ নেই।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহেলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।