প্রথম আলো অনুযায়ী, ফেনি সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের হাফেজিয়া ভাঙার তাকিয়া এলাকায় রাতের আঁধারে ঝোপের ভেতর থেকে গোঙানির শব্দ শোনা যায়। পাশের পথচারীরা তা শুনে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে, ফলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝোপে তল্লাশি করে হাত‑পা রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ৩০ বছর বয়সী মো. আবদুল্লাহ আল আমিনকে উদ্ধার করে ফেনি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
আল আমিন, সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের উত্তর মঙ্গলকান্দি গ্রামের লোকুর দোকানসংলগ্ন আলী আজ্জম মৃধা বাড়ির বাসিন্দা এবং জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের সোনাগাজী শাখার সদস্যসচিব। তিনি গত বুধবার বিকেলে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় সোনাগজি বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান এবং আর ফিরে আসেন না। পরিবারের সদস্যদের ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়; দুইটি মোবাইল নম্বরই বন্ধ পাওয়া যায়।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আল আমিনের নিখোঁজের বিষয়টি শুক্রবার দুপুরে সোনাগজি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। শুক্রবার মধ্যরাতে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে এবং তার শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া যায়; তিনি ঠিকভাবে কথা বলতে পারছেন না। সোনাগজি উপজেলা তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল হক নোমান জানান, আল আমিনের বিরুদ্ধে পূর্বে ২১টি মামলা দায়ের হয়েছিল, যার মধ্যে একটি মামলায় আট বছরের কারাদণ্ডও রয়েছে। তিনি ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করার দাবি করেন।
ফেনীর সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগজি সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান নিশ্চিত করেন যে আল আমিনকে হাত‑পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।






