শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজার, বান্দরবান ও থাকুরগাঁওসহ বিভিন্ন জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ইনকিলাব, ঢাকা টাইমস এবং বার্তা২৪ের প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিটি অঞ্চলের প্রস্তুতি তুলে ধরা হলো।
কক্সবাজার ও বান্দরবানে নিরাপত্তা (ইনকিলাব)
ইনকিলাবের প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি‑১৫) কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় মোট ৩৫৭টি দুর্গাপূজা মণ্ডপের (কক্সবাজারে ৩২৪টি, বান্দরবানে ৩৩টি) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এতে গোয়েন্দা নজরদারি, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্স, নিয়মিত টহল, মোটরসাইকেল পেট্রোলিং এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা কর্মী অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া অনলাইন মনিটরিং সেল গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার রোধে সক্রিয় থাকবে, এবং নারী দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও হয়রানি প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ব্যাটালিয়নটি ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা কন্ট্রোল রুম থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে এবং কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দ্রুত জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আ. ম. ফারুক দুর্গাপূজাকে সার্বজনীন উৎসব হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সকল হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
থাকুরগাঁওতে নিরাপত্তা (ঢাকা টাইমস)
ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, থাকুরগাঁওসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থাকুরগাঁও জেলায় মোট ৪৭৬টি পূজামণ্ডপ রয়েছে এবং ৫০ জন বিজিবি কর্মী, যার মধ্যে সেক্টর কমান্ডার সুরুজ মিয়া, তদারকি করছেন। তিনি শহর ও গ্রামাঞ্চলে নিয়মিত টহল চালিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা জানান। গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সতর্কতা এবং সন্দেহজনক কোনো ঘটনা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জানাতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে নিরাপত্তা (বার্তা২৪)
বার্তা২৪ের সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ নিরাপত্তা জোরদার করেছে। বিস্তারিত সংখ্যা বা অতিরিক্ত পদক্ষেপের তথ্য মূল প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
উল্লেখিত সব তথ্য ইনকিলাব, ঢাকা টাইমস এবং বার্তা২৪ের প্রকাশিত রেকর্ডের ওপর ভিত্তি করে সংকলিত। বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা দুর্গাপূজা উদযাপনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে লক্ষ্য রাখছে।






