প্রথম আলো অনুসারে, রাঙামাটির বাগাইছড়ি উপজেলার সাজেক এলাকায় দুটি সংগঠনের (গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন) ডাকা অবরোধের ফলে যানবাহনের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ। বাজারে অধিকাংশ দোকান বন্ধ, কিছুই খোলা থাকলেও কোনো গ্রাহক দেখা যায় না। বাজারের পরিবেশ স্বাভাবিক সময়ে যে রঙিন থাকে, তার তুলনায় এখন প্রায় শূন্য।
সাজেকের অবরোধের বর্তমান অবস্থা
বাগাইহাট বাজারে দুপুর ১১টায় গাড়ি চলাচল বন্ধ দেখা যায়; পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি সত্ত্বেও সড়ক কম ব্যবহার করা হচ্ছে। বাসিন্দারা হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। বাগাইহাট স্টেশনের লাইনম্যান মো. জসিমের মতে, অবরোধকারীরা সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিকেটিং করে চলেছে, যা সম্পূর্ণ যানবাহন বন্ধের কারণ।
সাজেক রিসোর্ট‑কটেজ মালিক সমিতির সহসাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, বর্তমানে সাজেকে কোনো পর্যটক নেই এবং পূর্বের সব বুকিং বাতিল হয়েছে। গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমা উল্লেখ করেন যে, অবরোধ ১০ কিলোমিটার ও ১৪ কিলোমিটার এলাকায় পিকেটিং চালিয়ে যাচ্ছে।
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি জানান, গতকাল আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার পর্যটককে নিরাপত্তা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে খাগড়াছড়ি শহরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে; তবে আজকের পরিস্থিতি গতকালের মতো নয় বলে তারা পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে।
গোলাগুলি ঘটনার পর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের গুলি চালানোর অভিযোগ পেয়েছে, তবে ইউপিডিএফ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ঢাকা‑টাঙ্গাইল মহাসড়কে রিকশা চালকদের প্রতিবাদ
চ্যানেল ২৪ অনুসারে, একই শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে অটোরিকশা চালকরা ঢাকা‑টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবরোধ করে যানবাহনের চলাচল বন্ধ করে দেয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রিকশা চালকরা এই প্রতিবাদে মহাসড়কটি সম্পূর্ণভাবে অবরোধ করেছে।
উভয় ঘটনার মধ্যে সময় ও স্থান ভিন্ন, তবে উভয়ই স্থানীয় গতি ও পরিবহনকে প্রভাবিত করেছে। প্রথম আলো ও চ্যানেল ২৪ উভয়ই তাদের নিজ নিজ সূত্রে ঘটনাগুলি রিপোর্ট করেছে।






