বাংলা ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর মাথার আঘাত পেয়ে প্রথমে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তিনি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত হন এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে ভর্তি হন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের মতে, চেসি ত্রিপুরার অবস্থার উন্নতির জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা জানান।
ঢাকার হাসপাতালে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর, বৃহস্পতিবার রাতে চেসি ত্রিপুরা মৃত ঘোষণা করা হয়। মাহবুবুর রহমান জানান, তিনি বিকাল পর্যন্ত হাসপাতালে ছিলেন এবং রাতের সময় চিকিৎসকরা আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত ঘোষণা করে ছাড়পত্র জারি করেন।
অন্যান্য সূত্রের সঙ্গে তুলনা করলে, সারাবাংলা, চ্যানেল ২৪ এবং আজকের পত্রিকাও একই ঘটনা রিপোর্ট করেছে। এই মিডিয়াগুলো উল্লেখ করেছে যে চেসি ত্রিপুরা ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাত ১১:০৭ টায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেসে মারা গেছেন এবং তার মৃত্যু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ড. এএইচএম খুরশীদ আলম নিশ্চিত করেছেন। এছাড়াও, দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৯ অক্টোবর (সোমবার) তার এক বান্ধবীর বাড়িতে পূজার দাওয়াতের পর সিএনজি চালিত অটো রিকশা দিয়ে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে পেছন থেকে একটি ট্রাকের ধাক্কায়।
উল্লেখযোগ্য যে, বাংলা ট্রিবিউন মূল প্রতিবেদনে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করেননি, যেখানে অন্যান্য আউটলেটগুলো ১১:০৭ রাতের সময় উল্লেখ করেছে। একইভাবে, দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট তারিখ এবং চেসির গ্রামভিত্তিক তথ্যও অন্যান্য সূত্রে উল্লেখ রয়েছে, যা মূল প্রতিবেদনে স্পষ্ট নয়।
এই তথ্যগুলো বাংলা ট্রিবিউন এবং উপরে উল্লেখিত অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টের সমন্বয়ে উপস্থাপিত হয়েছে।






