রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (RCC) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন ২৫ অক্টোবর, ২০২৬-এ শহরের বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করে পায়ে হাঁটা পথের অবৈধ দখলমুক্তি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে ভদ্রা, মহিলা কলেজ রোড এবং মেডিকেল কলেজের সামনের অংশের পায়ে হাঁটা পথ ইতিমধ্যে পরিষ্কার করা হয়েছে, তবে লক্ষ্মীপুর, জিরো পয়েন্ট, সোনাদিঘি মোড়, রেলগেট ও গণকপাড়া ইত্যাদি এলাকায় এখনও দখল রয়েছে।
পরিদর্শনের সময় রিটন স্যাহেব বাজারের কাঁচা বাজার, মাচপাতি, মাঙ্গশপতি, সিটি কর্পোরেশনের কসাইখানা এবং বাজারের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত কিছু পরিত্যক্ত দোকান পরীক্ষা করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুনর্বাসনের জন্য উপযুক্ত স্থান চিহ্নিত করার বিষয়েও আলোচনা করেন।
পরিদর্শনের শেষে রিটন সাংবাদিকদের জানিয়ে বলেন যে সিটি কর্পোরেশন শহরের পুনর্গঠন পরিকল্পনা অনুসারে কাজ করছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার "কাজে বিশ্বাসী" বলে তিনি নিজেও একই দৃষ্টিভঙ্গি ভাগ করে নেন। উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে RCC সেক্রেটারি সোহেল রানা, সুপারইন্টেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার খায়রুল বেকার, চিফ রেভিনিউ অফিসার আবু সেলেহ নূর‑এ‑সাইদ এবং এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার মহমুদুর রহমান এমন ও নিলুফার ইয়াসমিন ছিলেন।
একই দিনে, বাসস সংস্থা বারিশাল শহরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযান রিপোর্ট করেছে। বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে বারিশাল সিটি কর্পোরেশন (BCC) আমানতগঞ্জ এলাকায় জনসাধারণের চলাচলে বাধা সৃষ্টিকারী অবৈধ কাঠামো সরিয়ে ব্যবসায়ীদের জরিমানা করেছে। যদিও উভয় প্রতিবেদনে পায়ে হাঁটা পথের অবৈধ দখলমুক্তি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর পুনর্বাসনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে ঘটনাস্থল, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও নির্দিষ্ট পদক্ষেপে পার্থক্য রয়েছে।
উল্লেখ্য, উপরের তথ্যগুলো BSS ও বাসসের প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংকলিত হয়েছে।





