প্রথম আলো জানিয়েছে যে আজ নিউরাল টিউব ডিফেক্ট দিবস, যেখানে গর্ভের প্রথম তিন মাসে মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের সঠিক গঠন না হলে বিভিন্ন জন্মগত জটিলতা দেখা দিতে পারে। মূল কারণগুলোর মধ্যে মায়ের ফলিক অ্যাসিড (ভিটামিন বি৯) ঘাটতি, পরিবেশগত দূষণ এবং জেনেটিক কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিরোধের মূল স্তম্ভ

প্রথম আলো অনুসারে নিউরাল টিউব ডিফেক্টের ৭০ শতাংশ রোধযোগ্য। এর জন্য গর্ভধারণের কমপক্ষে তিন মাস আগে থেকে পুষ্টি প্রস্তুতি, ফলিক অ্যাসিডের নিয়মিত সেবন, খাদ্যের ফলিক অ্যাসিড ফোর্টিফিকেশন এবং পারিবারিক পুষ্টি সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ। থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাইমারি কেয়ার সেন্টারে ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট বিনা মূল্যে সরবরাহ করা হয়।

চিকিৎসা ও জটিলতা

প্রথম আলো উল্লেখ করেছে যে এনকেফালোসিল, স্পাইন বিফিডা ইত্যাদি জন্মের পর অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা যায়, তবে সময়মতো না করলে হাইড্রোসেফালাস (৭০% রোগীর মাথায় পানি জমা), কিডনি জটিলতা (৮৫% রোগীর প্রস্রাব সংক্রান্ত সমস্যা), পায়ের বিকৃতি (৬০% রোগীর পা বাঁকা) এবং চিয়ারি ম্যালফরমেশন (২৫% রোগীর শ্বাস বন্ধ) ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। ডা. সুদিপ্ত কুমার মূখার্জী, সহযোগী অধ্যাপক, পেডিয়াট্রিক নিউরোসার্জারী, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স এন্ড হাসপাতাল, ঢাকায় এই তথ্য প্রদান করেছেন।

বই বিতর্কে এনসিটিবি সিদ্ধান্ত

ইত্তেফাকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ চিত্রের ব্যবহার নিয়ে বিতর্কের পর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) তা বাদ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই বিষয়টি দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে আরও বিশদে উল্লেখ করা হয়েছে; সেখানে বলা হয়েছে যে ৩৮ লাখ বই ছাপার কাজ শেষ পর্যায়ে, যার মধ্যে ২০ লাখ বই ইতিমধ্যে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। এনসিটিবি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বইয়ের জ্ঞানের পিরামিডের চারটি স্তরের নাম থাকবে, তবে কোনো প্রতীক বা আইকন থাকবে না।

উল্লেখযোগ্য যে, দেশ রূপান্তরের তথ্য অনুযায়ী, বইয়ের পরিবর্তন করতে হলে পুনরায় বাঁধাই করতে হবে, তবে চুক্তিতে উল্লেখ আছে যে অতিরিক্ত খরচ না করে তা করা হবে। এছাড়া, এনসিটিবি গবেষণা কর্মকর্তাকে খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজে পদায়ন করা হয়েছে, যা একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

উপরের তথ্যগুলো প্রথম আলো, ইত্তেফাক এবং দেশ রূপান্তরের প্রকাশিত কন্টেন্টের ভিত্তিতে সংকলিত হয়েছে।