ঢাকা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) – রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সংগঠিত, দক্ষ ও অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের সর্বোচ্চ সম্পদ। তিনি তরুণদের মানসম্মত শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন।
বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু
একাত্তর টিভি এবং ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যুবসমাজকে জাতির প্রাণশক্তি এবং উন্নয়নের প্রধান নির্ধারক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো—ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতা আন্দোলন—এতে যুবসমাজের অগ্রণী ভূমিকা তুলে ধরেছেন।
বছরের থিম “দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ” উল্লেখ করে তিনি বলছেন, দেশের বৃহৎ জনসংখ্যার একটি বড় অংশই তরুণ, যা দেশের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে এই জনমিতিক সুবিধার সঠিক ব্যবহার প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপতি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যুবসমাজকে উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তরের জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন, যা পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শক্তিশালী করেন। বর্তমান সরকার সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারদের যুক্ত করে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উদ্যোগ চালু করেছে, যার মধ্যে কৃষি, হস্তশিল্প, কারিগরি শিক্ষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া, রাষ্ট্রপতি যুবসমাজকে মাদকাসক্তি প্রতিরোধ, পরিবেশ সুরক্ষা, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধ এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বেসরকারি খাত, সামাজিক সংগঠন, ধনী ব্যক্তি ও পরিবারকে যুব উন্নয়ন ও ন্যায়সঙ্গত রাষ্ট্র গঠনে সমর্থন দিতে অনুরোধ করেছেন।
দ্রষ্টব্য: বাসসের প্রতিবেদন অনুযায়ী বক্তৃতা ৩১ অক্টোবর শনিবারে দেওয়া হয়েছে, তবে একাত্তর টিভি ১ নভেম্বর রবিবারে অনুষ্ঠিত জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বলা হয়েছে। এই তারিখের পার্থক্য উভয় আউটলেটের নিজস্ব রিপোর্টে উল্লেখ আছে।
এই তথ্য বাসসের প্রতিবেদন এবং অন্যান্য আউটলেটের কভারেজের ভিত্তিতে সংকলিত।





