মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে, বাংলা ট্রিবিউনের মতে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৭৪.৫ ওভারে ৬ উইকেটে ২১৩ রান। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানে নেতৃত্ব দিয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এখনো ৫৯ রানে পিছিয়ে।
লাঞ্চের আগে শেষ বলেই অফ‑স্পিনার নাঈম হাসানের বোলিংয়ে জাস্টিন গ্রিভস আউট হন। গ্রিভস ১০৩ বলে ৪৬ রান করলেও অর্ধশতকের কাছাকাছি পৌঁছানোর পরই তার উইকেট নেয়া হয়। এই উইকেটের মাধ্যমে রোস্টন চেজের সঙ্গে গড়া ৫১ রানের ষষ্ঠ উইকেটের জুটি ভাঙা যায়।
নাঈমের বোলিংয়ে মুমিনুল হকের হাতে শট গিয়ে ক্যাচে রূপান্তরিত হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়কের ২৭ রান শেষ হয়। লাঞ্চ পর্যন্ত নাঈম ৪২ বলে ৩০ রান দিয়ে অপরাজিত ছিলেন।
চন্দরপলের পারফরম্যান্স
দ্বিতীয় দিনের শেষ ভাগে ৪ উইকেটে ১৩৪ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর, তেজনারায়ণ চন্দরপল ব্যাটিংয়ে ফিরে এসে ১৮৪ বলে ৫৬ রান সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে ছয়টি চার এবং একটি ছক্কা অন্তর্ভুক্ত। তার এই ইনিংসটি তার তৃতীয় টেস্ট অর্ধশতক পূর্ণ করে।
চন্দরপল ও গ্রিভসের ৬৫ রানের অংশীদারিত্ব ভাঙতে শারিফুল ইসলাম ক্যাচে নাজমুল হোসেনকে আউট করেন।
সারাবাংলা অনুযায়ী, লাঞ্চ বিরতির সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২১৩ রান, ৫৯ রানে পিছিয়ে থাকে এবং চেজের ক্যাচ মিসের পর মুমিনুল হক আরও রান যোগ করেন। ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে নাঈমের স্পিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৪৫ রানে অলআউট হয়ে, বাংলাদেশ ২৭ রানে লিড পায় বলে উল্লেখ আছে, যা মূল প্রতিবেদনের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ।
বাংলা ট্রিবিউনের তথ্য অনুসারে, তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে তেজনারায়ণ চন্দরপল ১৮৪ বলে ৫৬ রান করে, আর সারাবাংলা উল্লেখ করেছে তিনি ১৮২ বলে ৫৬ রান করেছেন। উভয় সূত্রই চন্দরপলের দ্রুত স্কোরিংকে তুলে ধরেছে।
দ্বিতীয় দিনের শেষের দিকে তাইজুল ইসলাম এক ওভারে কাভেম হজ ও আমির জাংগুকে আউট করে সফরকারীদের চাপ বাড়িয়ে দেন, যা তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে বজায় থাকে।
এই সব তথ্য বাংলা ট্রিবিউন, সারাবাংলা এবং ইত্তেফাকের প্রতিবেদন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।






