ইতালির মিলান শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ এবং দোকানপাটে লুটপাটের পরিপ্রেক্ষিতে, দেশের সরকার ৫০০ সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ঢাকা টাইমস জানিয়েছে।
শহরের কয়েকটি বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের দোকান নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কিছু পণ্য প্রদর্শনীর জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
মিলানে শনিবার‑রবিবার দুই দিন ধারাবাহিক বিক্ষোভে শত শত demonstrator আটক করা হয়েছে এবং কয়েক ডজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। মন্ত্রিসভার বৈঠকে (২০ অক্টোবর) সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব অনুমোদন এবং সেনাসদস্যদের পুলিশি ক্ষমতা প্রদান নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
ইতালির সরকারী পদক্ষেপ
উপপ্রধানমন্ত্রী মাত্তেও সালভিনি সংঘর্ষকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করে, আরটিএল ১০২.৫ রেডিওকে জানান যে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেনা মোতায়েনসহ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ঘোষণা করা হবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোজেত্তো আশা প্রকাশ করেছেন যে সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতো দায়িত্ব পালন করতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও বিক্ষোভকারীদের ‘গুণ্ডা’ বলে সমালোচনা করে এবং শহরের নিরাপত্তা রক্ষার আহ্বান জানান।
মেলোনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘বিক্ষোভ করা অধিকার, কিন্তু আমাদের শহরগুলো ধ্বংস করা নয়’।
প্যারিসে সমান্তরাল প্রতিবাদ
একাত্তর টিভি অনুসারে, ইউরোপের ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, কৃষক এবং ট্রাকচালকরা বিক্ষোভ করছেন। একই সময়ে প্যারিসে মেসি দলের স্মারক ও জার্সি লুটে নিলো দাঙ্গাবাজরা, যা শহরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।
দুই দেশের প্রতিবাদে অর্থনৈতিক অসন্তোষের মূল কারণ একই, তবে ঘটনাস্থল ও প্রভাব ভিন্ন। ঢাকা টাইমস ও একাত্তর টিভি উভয়ই উল্লেখ করেছে যে এই প্রতিবাদগুলো নির্বাচনী ইস্যুতে প্রভাব ফেলতে পারে।
এই তথ্যগুলো ঢাকা টাইমস এবং একাত্তর টিভি অনুসারে সংগ্রহ করা হয়েছে।





