বসস অনুযায়ী, ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা‑রংপুর মহাসড়কের বগুড়া নয়মাইল এলাকায় ডিএনসি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চেকপোস্ট স্থাপন করে একটি ডাবল‑ডেকার স্লিপার বাসের তল্লাশি করে ১০,৬০০ টুকরো ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে। বাসটি কক্সবাজার থেকে গাইবান্ধা পর্যন্ত চলা এভারগ্রীন পরিবহনের ডাবল‑ডেকার স্লিপার, যার এককেবিনের এসি ভেন্টে ৫৩টি জিপার ব্যাগে লুকিয়ে রাখা ছিল; প্রতিটি ব্যাগে ২০০টি করে ট্যাবলেট ছিল। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩.২ লাখ টাকা। একই সময়ে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পারগয়ড়া গ্রাম থেকে নুরুজ্জামানের পুত্র বিপ্লব ইসলাম, ২৮ বছর বয়সী, গ্রেফতার হয়। ডিএনসি বগুড়া উপ-পরিচালক জিললুর রহমান বাসকে জানান, এই ইয়াবা কক্সবাজার থেকে গাইবান্ধা পর্যন্ত পরিবহিত হচ্ছিল এবং শাজাহানপুর থানা-তে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সারাবাংলা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, একই দিনে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসি, এসআরবি‑১১ ও সিপিএসি‑৩ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ৪,০০০ টুকরো ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ এবং মোহাম্মদ আলম, ৩৫ বছর বয়সী, লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির (টেকনাফ, কক্সবাজার) থেকে আসা সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।
ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফরিদপুরে একই দিনে ডিএনসি আরেকটি অভিযান চালিয়ে ৭,৯০০ টুকরো ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ এবং হারুন রশিদ, ২৪ বছর বয়সী, কক্সবাজার থেকে আসা সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে। এই অভিযানটি ফরিদপুরের বাসস্ট্যান্ডের নিকটবর্তী একটি নির্দিষ্ট সড়কে পরিচালিত হয়।
উল্লেখিত তিনটি প্রতিবেদনের তথ্য মিলিয়ে দেখা যায়, ১৫ অক্টোবর একাধিক ডিএনসি অভিযান চালিয়ে বগুড়া, নোয়াখালী ও ফরিদপুরে মোট ২২,৫০০ের বেশি ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ এবং তিনজন সন্দেহভাজন গ্রেফতার হয়েছে। তবে প্রতিটি প্রতিবেদকের জব্দের পরিমাণ ও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বয়স ও পরিচয়ে পার্থক্য রয়েছে, যা প্রকাশের আগে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।






