আজকের পত্রিকা অনুসারে, ভারতের অবকাঠামো নির্মাণ প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি) ঢাকা মেট্রোরেল লাইন‑১ প্রকল্পের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম প্যাকেজের নকশা, প্রণয়ন ও নির্মাণের চুক্তি পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি মঙ্গলবার এই চুক্তি পেয়েছে বলে জানিয়েছে। চুক্তির মূল্য ৫,০০০ কোটি রুপি (বড় চুক্তি) থেকে বেশি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে ৬,৫০০ কোটি টাকার বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
চুক্তির বিষয়বস্তু
বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই প্যাকেজগুলিতে রেলপথ নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর (পিএসডি) স্থাপন অন্তর্ভুক্ত। লারসেন অ্যান্ড টুব্রো জাপানি অংশীদার সুমিতোমো কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে রেলপথ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণ, ট্র্যাকশন সাবস্টেশন, ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেম এবং সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিক স্থাপনাগুলোর নকশা, সরঞ্জাম সংগ্রহ, স্থাপন, পরীক্ষা ও চালু করার কাজ সম্পন্ন করবে।
প্রকল্পটি জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে এবং প্রায় ৩১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দুইটি রুট—কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এয়ারপোর্ট রুট এবং নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত পূর্বাচল রুট—সমেত মোট ১৯টি স্টেশন ও পিতলগঞ্জে একটি ডিপো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এলঅ্যান্ডটির পরিবহন অবকাঠামো বিভাগের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান রামকুমার ই.এস. উল্লেখ করেছেন যে, লাইন‑৬-এর ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল কাজ সময়মতো এবং উচ্চ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির শক্তিশালী রেকর্ড রয়েছে। তিনি আরও জানান, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা মেট্রোর কাজও বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন।
কৃষক প্রতিবাদ
ডেইলি অবজারভারের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, মঙ্গলবার সকালে লালমনিরহাট‑বুরিমারি হাইওয়ে কৃষকরা ফসলের সারের ঘাটতি ও কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগে বন্ধ করে দেয়। প্রতিবাদটি পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের পারুলিয়া বাজারের নিকটে ঘটে এবং প্রায় এক ঘণ্টা ট্রাফিক বন্ধ রাখে। আপোষে কৃষকরা হাইওয়ে থেকে সরে যায়। প্রতিবাদকারীরা দাবি করেন যে, জাদু মেম্বার ও ভূট্টু নামের দুই স্থানীয় ব্যক্তি সারের বিতরণ নিয়ন্ত্রণ করে একটি সিন্ডিকেট গঠন করেছে, যদিও নির্ধারিত সারের ডিলার বগুড়া থেকে আসেন।
উল্লেখ্য, উভয় প্রতিবেদনের তথ্য আলাদা বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এবং কোনো সংযোগ নেই।






