ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায় সুগন্ধা নদীতে ইলিশ রক্ষার অভিযান শেষে ফেরার পথে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা‑কর্মচারী ও সহায়কদের ওপর আক্রমণ ঘটেছে। আজকের পত্রিকা অনুসারে, ঘটনা সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৩:৩০ টার দিকে ঘটেছে এবং ভোর ৪:২০ টার দিকে কুমারখালী‑জাঙ্গালিয়া সংলগ্ন এলাকায় শেষ হয়েছে। আক্রমণকারী ১২টি ইঞ্জিনচালিত নৌকে এসে রামদা ও লাঠি ব্যবহার করে গোষ্ঠীকে থামাতে চেষ্টা করে।
আহত সাতজনের মধ্যে জেলা মৎস্য বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক প্রণব কুমার বিশ্বাস, আনসার ও ভিডিপির হাবিলদার আবদুর রহিম, সিপাহি সাকিব হাসান, সেলিম মিয়া, নৌকার মাঝি মো. রেজাউল করিম, মো. মোস্তফা সিকদার এবং অফিস সহায়ক মো. রমজান আলী খলিফা অন্তর্ভুক্ত। সকল আহতকে নিকটস্থ ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দলনেতা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হক মঙ্গলবার সকালে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে জানান, "ইলিশ রক্ষার নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আমাদের দল সুগন্ধা নদীতে অভিযান চালিয়ে ফিরছিল, তখন আমাদের ওপর হিংসাত্মক হামলা হয়।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, হামলাকারীরা নৌকার চালক ও মাঝিদের মারধর করে রামদা দেখিয়ে ভবিষ্যতে মৎস্য অভিযানে অংশ না নিতে হুমকি দিয়েছেন।
নলছিটি থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে জানান, "এ মুহূর্তে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন কিছু পার্থক্য তুলে ধরেছে। বাংলা ট্রিবিউন ও দেশ রূপান্তর উভয়ই ঘটনাটিকে ২৭ অক্টোবর (ভোররাতে) ঘটেছে বলে উল্লেখ করেছে, যেখানে আজকের পত্রিকা ২৬ অক্টোবর রাতের সময় উল্লেখ করেছে। দেশ রূপান্তর additionally উল্লেখ করেছে যে আক্রমণকারী ১২টি ইঞ্জিনচালিত নৌকে ছাড়াও অর্ধশতাধিক (৫০‑এর বেশি) লোকের সমন্বয়ে গঠিত ছিল। উভয়ই রামদা ও লাঠি ব্যবহার এবং আঘাতপ্রাপ্তদের মধ্যে কান ধরা এবং ওঠবস (হুমকি) দেওয়ার তথ্যকে সমর্থন করেছে।
এই তথ্যগুলো আজকের পত্রিকা এবং উল্লিখিত অন্যান্য মিডিয়া আউটলেটের ভিত্তিতে সংকলিত হয়েছে।






