বাংলা ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুসারে, ঢাকা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল‑৪ এর বিচারক এলিনা আক্তার ২৬ অক্টোবরের শুনানির পরে আনিসুল হকের (সাবেক আইনমন্ত্রী) অস্ত্র আইনের মামলায় চার্জ গঠন শুনানির তারিখ ৩ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলায় বলা হয়েছে যে, আনিসুল হক বানানী থানার অধীনে নিজের নামে লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি পিস্তলের মালিক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য দেওয়া সব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তবে হক ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ৫ মে পর্যন্ত তার লাইসেন্সকৃত অস্ত্রটি থানায় জমা দেননি বা থানাকে অবহিতও করেননি।
বানানী থানার উপপরিদর্শক মো. জানে আলম দুলাল এই ঘটনার ভিত্তিতে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট উপপরিদর্শক মো. ইয়াদুল হক চার্জশিট দাখিল করেন।
অতিরিক্তভাবে, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হককে রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে নৌপথে পলায়নরত অবস্থায় গ্রেফতার করা হয় এবং বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টা মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়; বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
অন্যান্য মিডিয়া, যেমন বাসস, একই তথ্য পুনরায় প্রকাশ করে এবং ৩ ডিসেম্বর চার্জ গঠন শুনানির তারিখ উল্লেখ করেছে। তবে ঢাকা টাইমস এবং ইনডিপেনডেন্ট টিভি আলাদা একটি মামলার (প্রাক্তন এসবি প্রধান মনিরুল ইসলামের) কভারেজ করেছে, যেখানে আর্থিক লেনদেন ও মানিলন্ডারিংয়ের কথা বলা হয়েছে; এই বিষয়টি আনিসুল হকের অস্ত্র মামলার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
উল্লেখ্য, উপরের সব তথ্য বাংলা ট্রিবিউনের সূত্রে ভিত্তিক এবং অন্যান্য আউটলেটের রিপোর্টে উল্লেখিত ভিন্ন বিষয়গুলো আলাদা ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।






