বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধ, বৈশ্বিক সংঘাত ও এল নিনোর প্রভাবে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ বিশ্ববাজারে সামগ্রিক পণ্যদাম ২৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। (এই তথ্য বাসস অনুসারে)

বিশ্বব্যাংকের ‘কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শস্য সরবরাহে বিঘ্ন, তীব্র এল নিনো এবং জ্বালানি ও সারের উচ্চমূল্যের ফলে ২০২৬ সালে খাদ্যপণ্যের দাম ১০ শতাংশ বাড়বে, এবং পরের বছর আরও ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে জ্বালানির দাম ৩২ শতাংশ বাড়তে পারে, তবে ইরান ও ইউক্রেনের সংঘাত তীব্র না হলে ২০২৭ সালে এই গতি কমে আসবে। এছাড়া, রাশিয়া‑ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৬ সালে তেলের সরবরাহ ৫.২ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে, এবং ২০২৭ সালে ব্রেন্টের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে উল্লেখ করেছেন, উচ্চ জ্বালানি দাম ও বাণিজ্যব্যবস্থার বিঘ্ন মূল্যস্ফীতি ও খাদ্যনিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এবং নিম্ন আয়ের দেশগুলোর সহায়তা অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। (এই তথ্য বাসস অনুসারে)

বাংলাদেশ‑জাপান শীর্ষ বৈঠক

দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন। বৈঠকের সময় তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক ফোরাম ও ব্যবসায়িক কর্মসূচিতে অংশ নেন। চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে তিনি আজ বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। (এই তথ্য দেশ রূপান্তর অনুসারে)