প্রমথ আলো ইংরেজি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট বুধবার সাউদি আরবে অ-প্রয়োজনীয় দূতাবাস কর্মী ও তাদের পরিবারকে নিরাপত্তা উদ্বেগে ত্বরিতভাবে বের করে দিতে আদেশ দিয়েছে। স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র টমি পিগট টুইটের মাধ্যমে নিশ্চিত করেন যে এই নির্দেশনা শুধুমাত্র সাউদি আরবের অ-জরুরি সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারকে প্রযোজ্য।
এই পদক্ষেপ হৌতি গোষ্ঠীর আক্রমণ বাড়ার পর নেওয়া হয়েছে। প্রমথ আলো ইংরেজি উল্লেখ করে, হৌতি গোষ্ঠী রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি আক্রমণ চালায়, যা বছরের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হিসেবে বিবেচিত। একই সময়ে, ঢাকা ট্রিবিউন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে হৌতি গোষ্ঠী দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আক্রমণ চালায়, যেখানে দুইজন নাগরিক নিহত হয়েছে। উভয় সূত্রই বেসামরিক ক্ষতির কথা জানিয়েছে, তবে আক্রমণের স্থান ভিন্ন।
সৌদি এনার্জি মন্ত্রণালয় জানায়, শায়বা তেলক্ষেত্রের দিকে লক্ষ্য করে ড্রোনের আক্রমণ ব্যর্থ হওয়ার ফলে পড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষে একটি ফিলিপিনো ও একটি নেপালি নাগরিক নিহত হয়েছে, আর দুইজন অন্যজন আহত হয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও জানায় যে সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে ছয়টি ড্রোন আটক করেছে।
ইরানীয় রাষ্ট্রমাধ্যম IRNA হরমোজগান প্রদেশে, হরমুজ স্ট্রেইটের দিকে তাকিয়ে, কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে জানায়, তবে স্থানীয় সূত্রগুলো এখনও বিস্ফোরণের প্রকৃতি প্রকাশ করেনি।
পটভূমি হিসেবে, জুন মাসে ইয়েমেনের চার বছরের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায়, যা ২০১৪ থেকে চলমান সংঘর্ষকে পুনরায় তীব্র করে। সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট ২০১৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন করে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রও এই বছর ইরান যুদ্ধের পূর্বে এবং জুলাই মাসে নতুন আক্রমণের আগে গালফে অ-প্রয়োজনীয় কর্মীদের প্রস্থান আদেশ দিয়েছে।






