ইনডিপেনডেন্ট টিভি অনুসারে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে টিকিট‑বিহীন যাত্রীকে ধরা পর টিকিট কালেকটর সঞ্জিত মন্ডল এবং স্টেশন মাস্টার সাকিল জাহান দুজনই আঘাতপ্রাপ্ত হন। ঘটনার সূচনা হয়েছে বৃহস্পতিবার সকালে, যখন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ‘মহানগর প্রভাতী’ ট্রেনে আসা এক যাত্রী টিকিট না থাকায় গেটের পাশে দাঁড় করানো হয়।
সঞ্জিত মন্ডল যাত্রীর সঙ্গে বিতর্কের পর তাকে স্টেশনের পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যান। সেখানে যাত্রীর ফোনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বলে পরিচয় জানাতে ১০‑১২ জন সমবেত হয়। ফাঁড়ি ইনচার্জ সাব‑ইনস্পেক্টর শা.আলম মিয়া বিষয়টি মিটমাট করে যাত্রীকে ছেড়ে দেন।
প্রায় দুপুর ১২টের দিকে একই যাত্রী আবার ৮‑১০ জনের সঙ্গে ফিরে এসে সঞ্জিত মন্ডলকে মারধর করে; স্টেশন মাস্টার সাকিল জাহান তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসার পর নিজেও আক্রমণের শিকার হন। সাকিল জাহান জানান, পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে এবং তিনি থানায় অভিযোগ দিচ্ছেন।
দৈনিক অবজারভারের প্রতিবেদন
Daily Observer‑ও একই ঘটনার কথা জানায় এবং উল্লেখ করে যে টিকিট কালেকটর সঞ্জিত মন্ডল (ম্যান্ডাল) টিকিট‑বিহীন যাত্রীকে আটক করার পর তাকে স্টেশন পুলিশ আউটপোস্টে নিয়ে গিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাত্রীর ফোনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিচয় জানাতে ১০‑১২ জন সমাবেশ হয়। আক্রমণটি বৃহস্পতিবার বিকালে ঘটেছে, যদিও সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা হয়নি।
দুইটি সূত্রের মধ্যে ট্রেনের দিকনির্দেশনা নিয়ে পার্থক্য রয়েছে; ইনডিপেনডেন্ট টিভি অনুযায়ী ট্রেনটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী, আর Daily Observer‑এর প্রতিবেদনে ‘ঢাকা‑বাউন্ড চট্টগ্রাম‑বাউন্ড’ ট্রেনের উল্লেখ আছে। উভয় সূত্রই টিকিট কালেকটর ও স্টেশন মাস্টারের আঘাতের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শা.আলম মিয়া জানান, আক্রমণের পর অভিযোগপ্রাপ্তি স্বাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




