প্রথম আলো অনুসারে, পটিয়া থানার হাটের পাশে মো. নাসির উদ্দিনের ছোট দোকানটি তিন প্রজন্মের মাটির পণ্য ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তার দাদা আবদুল হাকিম নিজ হাতে মাটির হাঁড়ি, পাতিল, ঢাকনা ও মটকা তৈরি করতেন এবং বিক্রি করতেন।

১৯৯৩ সালে দাদার মৃত্যুর পর নাসিরের বাবা সগির আহমদ ব্যবসা চালিয়ে যান এবং ২০১৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর নাসির দায়িত্ব নেন। নাসির এখন নিজে পণ্য তৈরি না করে গ্রামীন কারিগরদের কাছ থেকে কিনে দোকানে বিক্রি করেন। তিনি জানান, "মাসে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি হয়" এবং খরচ বাদে আয় ভালো থাকে।

গ্রামীন কারিগরদের অবস্থা

কুমারপাড়া (ফোরকানিয়া) এলাকায় নোয়া মিয়া (বয়স ৭০) ও তার স্ত্রী নেসা বেগম মাটির পণ্য তৈরি করতেন; এখন মেলামাইনের থালাবাসনের কারণে কাজ কমে গেছে। তারা "কোনো কোনো মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকার অর্ডার পান" এবং খরচ বাদে হাতে পাঁচ‑ছয় হাজার টাকা থাকে। আর পাখিজা বেগম চার দশক ধরে মাটির পণ্য তৈরি করছেন, মাসে গড়ে আয় ১০ হাজার টাকা।

এই কারিগরদের পণ্য নাসিরের দোকানে বিক্রি হয়, ফলে দাদার শুরু করা ব্যবসা তার হাতেই চলমান রয়েছে।