প্রথম আলো অনুসারে, সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে টাস্কফোর্সকে হাইকোর্ট অতিরিক্ত ছয় মাস সময় প্রদান করেছে। হাইকোর্ট বেঞ্চে বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং তার সহকর্মীরা টাস্কফোর্সের অগ্রগতি ব্যাখ্যা করেন। তারা জানিয়েছেন, ২০২৪ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত টাস্কফোর্স ৯০ সাক্ষীর পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ এবং ২৪ জনের জবানবন্দী রেকর্ড করেছে। এছাড়া, টাস্কফোর্সের সদস্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহার সঙ্গে আলোচনায় প্রাথমিকভাবে সাবেক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব রোকেয়া প্রাচীরের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, টাস্কফোর্সের তদন্তে প্রায় ৩০০টি সিডি সংগ্রহ করা হয়েছে; এর মধ্যে ৯০টি ইতিমধ্যে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, বাকি ২১০টি বিশ্লেষণের জন্য অতিরিক্ত সময়ের আবেদন করা হয়েছে। আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি শোনার পর ২৯ এপ্রিলের পরবর্তী আদেশের তারিখ নির্ধারণ করেছে। চ্যানেল আই এবং আজকের পত্রিকা অনুসারে, একই হাইকোর্টের আদেশে টাস্কফোর্সের প্রধান এবং আইসিটি প্রসিকিউটরকে ঐ তারিখে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

মামলায় মূল তথ্য অনুযায়ী, সাগর সরওয়ার মাছরাঙা টেলিভিশনে এবং রুনি এটিএন বাংলায় কাজ করতেন। রুনির ভাই নওশের আলম শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

এই সব তথ্য প্রথম আলো ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে।