একাত্তর টিভি অনুসারে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রবিবার রাতে রাজধানীর মহাখালী এবং গুলশান‑বনানী পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে এক ঐক্যবদ্ধ দেশের আহ্বান জানান। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ‑অভ্যুত্থানকে উদাহরণ দিয়ে বললেন, ধর্ম‑বর্ণ নির্বিশেষে দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগ্রাম করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের সর্বোচ্চ পরিচয় হল ‘বাংলাদেশের মানুষ’ এবং ভবিষ্যতে দেশ গড়ার সংগ্রামে ধর্মীয় পরিচয় কোনো বাধা হবে না।

অনুষ্ঠানের বিবরণ

প্রধানমন্ত্রী প্রথমে মহাখালী রক্ষাকালী মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, সেখানে পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর তিনি গুলশান‑বনানীর পূজামণ্ডপে গিয়ে উপস্থিত পূজারী ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে আলাপ করেন। এই সময়ে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

স্বৈরাচার‑বিরোধী মন্তব্য

বাংলা ট্রিবিউন এবং ইনডিপেনডেন্ট টিভি উভয়ই জানিয়েছে যে, সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানের ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার‑বিরোধী সতর্কবার্তা দেন। বাংলা ট্রিবিউনের মতে, তিনি বলেছেন, ‘বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচারকে ফেরার পথ করে দেওয়া হবে জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি’। তিনি বিরোধী দলকে রাস্তা অবরোধ করে জীবনযাত্রা ব্যাহত না করার আহ্বানও জানান। ইনডিপেনডেন্ট টিভি একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ৮৩৪ জন জুলাই শহীদের নাম উল্লেখ করে, একই বক্তব্য পুনরাবৃত্তি করে এবং যোগ করেন যে, সংবিধান সংস্কারসহ যেকোনো ইস্যুতে বিরোধী দলের মতামত পার্লামেন্টে আলোচনা হতে পারে, তবে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা না করতে তিনি আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, বাংলা ট্রিবিউন এবং ইনডিপেনডেন্ট টিভি উভয়ই অনুষ্ঠানের তারিখ ও সময়কে সোমবার সকাল হিসেবে উল্লেখ করেছে, যেখানে একাত্তর টিভির মূল প্রতিবেদনে রবিবার রাতের কথা উল্লেখ আছে। এই তারিখ‑সময় সংক্রান্ত পার্থক্য সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোতে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

উপরের সব তথ্য একাত্তর টিভি, বাংলা ট্রিবিউন এবং ইনডিপেনডেন্ট টিভি সূত্রে ভিত্তিক।