পিরোজপুর, ৭ নভেম্বর ২০২৬ (বাসস) – গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর আজ রাতে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, একাত্তরের মহান স্বাধীনতা ও ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন; শাহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন এবং বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, যদি জিয়াউর রহমানকে মুক্ত না করা হতো, তবে বাংলাদেশ এখনো বিদেশি হস্তক্ষেপের শিকার থাকত।
অনুষ্ঠানটি সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এবং জেলা প্রশাসক মো. গোলাম রব্বানী সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে পিরোজপুরের পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট মুহাম্মদ তালেবুর রহমান ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস. এম. সাইদুল ইসলাম কিসমত উপস্থিত ছিলেন। সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ শাহীন রেজা কী-নোট স্পিকারের ভূমিকা পালন করেন, এবং সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নব গোপাল সাহা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
প্রতিমন্ত্রী পরে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়। তিনি তরুণ প্রজন্মকে ৭ নভেম্বরের সঠিক ইতিহাস জানার এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান, পাশাপাশি দেশের উন্নতির জন্য ছোট ছোট আইন মেনে চলারও গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বিএসএস (ইংরেজি) অনুসারে, একই অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী একই বক্তব্য দিয়েছেন এবং একই অতিথি ও আয়োজক উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকা ট্রিবিউন প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে একই দিনে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা শহরে একটি র্যালি ও পরেডে অংশগ্রহণ করে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে বৃহত্তর জনসমাবেশে রূপান্তরিত করেছেন। এই তথ্য বাসস প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই, তাই উভয় সূত্রের মধ্যে উপস্থিতি সম্পর্কে পার্থক্য রয়েছে।
এই তথ্যগুলো বাসস, বিএসএস এবং ঢাকা ট্রিবিউন অনুসারে সংকলিত।






