কিশোরগঞ্জের মারিয়া ইউনিয়নের প্যাড়াভাঙ্গা এলাকায় ২৭ অক্টোবর সকাল ১০:৩০ টার দিকে ইমরান (৩৮) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঢাকা পোস্টের অনুসারে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ২৪০০ টাকার ঋণ দাবির ঝগড়া যুক্ত ছিল; ইমরান ও অভিযুক্ত আবু কালামের মধ্যে কথোপকথনের পর এক মুহূর্তে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং ইমরানকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর মৃত ঘোষণা করা হয়।
প্রতিবাদ ও মানববন্ধন
হত্যার পর কিশোরগঞ্জের নতুন জেলখানা মোড় এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন আয়োজন করেন। তারা দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ‘ইমরান হত্যার আসামিদের ফাঁসি চাই’ স্লোগান সহ দাবি জানিয়ে প্রতিবাদ করেন। ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, মানববন্ধন শেষে কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটিয়ে অংশগ্রহণকারীরা বাড়ি ফিরে যান।
অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
মানববন্ধনের প্রায় আধা ঘণ্টা পরে, অভিযুক্ত আবু কালামের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বসতঘরসহ মোট তিনটি ঘর পুড়ে যায়। চ্যানেল আই এবং চ্যানেল ২৪ উভয়ই একই তথ্য জানিয়েছে, যদিও চ্যানেল আই অতিরিক্তভাবে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখ করেছে।
পুলিশের মন্তব্য
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ আবুল কালাম ভুঁইয়া জানান, এখনো কোনো মামলা দায়ের হয়নি এবং কোনো গ্রেফতার হয়নি। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বর্তমান সময়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
উল্লেখ্য, ইমরান মারিয়া ইউনিয়নের মধ্য কাতিয়ারচর এলাকার মৃত আব্দুস শহীদের পুত্র ছিলেন।
এই তথ্যগুলো ঢাকা পোস্টের অনুসারে সংগ্রহ করা হয়েছে; অন্যান্য মিডিয়া (চ্যানেল আই, চ্যানেল ২৪) থেকে প্রাপ্ত অতিরিক্ত বিবরণও উপরে উল্লেখ করা হয়েছে।






