বাংলা ট্রিবিউনের মতে, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ টানা নবম দিন চলছে। অবরোধের ফলে পর্যটন খাতের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতির মুখে এবং দৈনন্দিন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। ২২ অক্টোবর থেকে তৃতীয় দফায় সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন এই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে; পূর্বে ১১ অক্টোবর থেকে আন্দোলন শুরু হয়েছিল এবং শারদীয় দুর্গাপূজা (১৬‑২১ অক্টোবর) সময়ে সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছিল।

সাজেক অবরোধের প্রথম দিনে ২,৯৩৩ জন পর্যটক আটকা পড়ে; ২২ অক্টোবর সকালে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় তাদের গাড়ি সাজেক থেকে খাগড়াছড়িতে স্থানান্তর করা হয়। আন্দোলনকারীরা পাঁচ দফা দাবির মধ্যে ২২ অক্টোবরের হামলার শাস্তি, উজো বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ, সেনা ও পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহার, এবং আহতদের চিকিৎসা ব্যয়ের দায়িত্বশীলতা অন্তর্ভুক্ত করেছে।

সেই সপ্তাহে, রাঙামাটির বাঘাইহাট জোনের সেনা ক্যাম্পে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার‑উজ‑জামান ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় তিনি সেনাপ্রধানদের সঙ্গে কথা বলে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশংসা করেন এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশনা দেন। পরিদর্শনে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের ইঞ্জিনিয়ার ইন-চিফ, চট্টগ্রাম এরিয়া জিওসি এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারাও অংশ নেন।

ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব ও ইয়েমেনি হুথি জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল মালিকি দাবি করেন যে হুথি সন্ত্রাসী একটি ড্রোন মক্কা অঞ্চলে নিক্ষেপ করে তা ভূপাতিত হয়েছে। তবে হুথি বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া কাসিম সারি এই দাবিকে 'নির্জলা ও জঘন্য মিথ্যা' বলে খণ্ডন করেন এবং বলেন যে সৌদি ভূখণ্ডে কোনো অভিযান করা হয়নি। উভয় পক্ষের এই পারস্পরিক অভিযোগের সময় ও বিবরণে পার্থক্য রয়েছে।

উপরের তথ্যগুলো বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা পোস্ট উভয়ই প্রকাশ করেছে; উভয় সূত্রের তথ্য যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।