প্রথম আলো অনুসারে, লাহোরে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে পাকিস্তান ৪৮.৩ ওভারে ৩৩১/৭ স্কোর করে শ্রীলঙ্কার ৫০ ওভারে ৩২৫/৮ লক্ষ্য তাড়া করে ৩ উইকেটে জয়লাভ করে।

শ্রীলঙ্কার ইনিংস

শ্রীলঙ্কা ৫০ ওভারে ৩২৫ রান সংগ্রহ করে, যার মধ্যে কামিন্দু মেন্ডিস ১৩১ রান এবং পবন রত্নায়েক ৭৭ রান (৬৫ বল) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দুজনের ১৪৬ রানের জুটি শ্রীলঙ্কাকে বড় লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। প্রথম আলো উল্লেখ করে, শ্রীলঙ্কার পেসার দিলশান মাদুশঙ্কা শুরুর দিকে মাজ সাদাকাত ও বাবর আজমকে আউট করে দলকে প্রাথমিক সুবিধা দেয়।

পাকিস্তানের শিকড়

পাকিস্তানের শুরুর অংশে ফখর জামান (১২৭ রান, ৯৯ বল, ১১টি চার ও ৬টি ছক্কা) সেঞ্চুরি করেন, যা ইনকিলাবের রিপোর্টে ১২৭ রান, ৯৯ বল, ১১টি চার ও ৬টি ছক্কা হিসেবে উল্লেখ আছে। তার পর সাদ বেগকে (ইনকিলাবের উল্লেখ) ও ফখর ১৪৯ রানের জুটি গড়ে শ্রীলঙ্কার লক্ষ্য তাড়া শুরু করে; সাদ বেগকে ৭৫ বলে ৭৪ রান করেন।

চাপের মুহূর্তে আফরাত মিনহাজ (প্রথম আলোতে ৩১ রান, ৬১ বল; ইনকিলাব ও একাত্তর টিভিতে মিনহাজ/মিনহাস) এবং হাসান নওয়াজের (প্রথম আলোতে ২৮ রান, ইনকিলাবে ৪৫ রান) অংশীদারিত্ব ৯৪ রানের (প্রথম আলো) অথবা ৭৯ রানের (ইনকিলাব) জুটি গঠন করে, যা পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করে। আফরাতের দ্রুত ব্যাটিং ৩টি চার ও ৪টি ছক্কা (ইনকিলাবেও একই) হিসেবে উল্লেখ আছে।

বোলিং পারফরম্যান্স

পাকিস্তানের শীর্ষ বোলারদের মধ্যে শাহিন শাহ আফ্রিদি ১০ ওভারে ৫০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন, নাসিম শাহ ৮০ রান দিয়ে ২ উইকেট, সালমান আগা ৭ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ২ উইকেট এবং হারিস রউফ ১০ ওভারে ৬০ রান দিয়ে ২ উইকেট। ইনকিলাবের রিপোর্টে এই পরিসংখ্যান একইভাবে উল্লেখ আছে। শ্রীলঙ্কার বোলারদের মধ্যে দিলশান মাদুশঙ্কা ৯.৩ ওভারে ৬৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন, আসিথা ফার্নান্দো ও অন্যান্যরা একে একে উইকেট নেন।

ইতিহাসিক দিক

প্রথম আলো জানায়, ৪৮.৩ ওভারে ৩৩১ রান তাড়া করে জয়লাভ করা পাকিস্তানের এই পারফরম্যান্স ওয়ানডে ফাইনালের সর্বোচ্চ চেজে তাড়া করে জয়ের রেকর্ডের সমান, যা পূর্বে ২০০২ সালে ভারতের ৩২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অর্জিত হয়েছিল।

বিবরণে পার্থক্য

ইনকিলাবের রিপোর্টে হাসান নওয়াজের স্কোর ৪৫ রান (৩৭ বল) হিসেবে উল্লেখ আছে, যেখানে প্রথম আলোতে তার স্কোর ২৮ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আফরাতের নাম একাত্তর টিভিতে "মিনহাজ" এবং ইনকিলাবে "মিনহাস" হিসেবে এসেছে। সাদ বেগকে (সাদ বেগকে) নামটি প্রথম আলোতে স্পষ্ট নয়, তাই তা যাচাই প্রয়োজন।