সমকাল অনুসারে, দিলশান মাদুশাঙ্কা ক্যারিয়ারসেরা ৫/৩৪ পারফরম্যান্সে পাকিস্তানের ১১০ রানের ইনিংস শেষ করে শ্রীলঙ্কাকে ৮ উইকেটে জয়লাভের সুযোগ দেয়। শ্রীলঙ্কা লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে মাত্র ১৮.১ ওভারে ১১০ রানে লক্ষ্য পৌঁছে, ফলে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে স্থান নিশ্চিত করে। পাকিস্তানের সর্বোচ্চ স্কোর ২৯ রান বাবর আজমের, আর সানাহান আরাচ্চিগে, আসিথা ফার্নান্দো, এশান মালিঙ্গা ও দুনিথ ওয়েল্লালাগে প্রত্যেকে এক করে উইকেট নেন। শ্রীলঙ্কার কামিন্দু মেন্ডিস ৬২* (৬০ রানে আটটি চার ও দুইটি ছক্কা) এবং পাভান রত্নায়েকে ২৬ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থেকে দলকে সমর্থন করেন।

প্রথম আলো এই ম্যাচের কিছু সংখ্যায় ভিন্নতা উল্লেখ করেছে: তারা জানায় পাকিস্তান ২৫.৩ ওভারে ১১০ রানে আটকে গিয়েছিল এবং কামিন্দু মেন্ডিসের অর্ধশতক পূরণে ১৯৯ বল ব্যবহার করা হয়েছে, যা সমকাল প্রতিবেদনের ১৮.১ ওভার ও ১১০ বলের তথ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তবে প্রথম আলোও মাদুশাঙ্কার ৫/৩৪ এবং শ্রীলঙ্কার ৮ উইকেট জয়কে স্বীকার করেছে। দেশ রূপান্তর ও চ্যানেল ২৪ একই ফলাফল – পাকিস্তান ১১০ রানে অলআউট, শ্রীলঙ্কা ৮ উইকেটে জয়, এবং ইংল্যান্ডের ফাইনাল থেকে বাদ পড়া – উল্লেখ করেছে, তবে ওভার বা বলের সংখ্যা উল্লেখ করেনি।

ফলস্বরূপ শ্রীলঙ্কা ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে, আর ইংল্যান্ডের ফাইনাল থেকে বেরিয়ে যাওয়া নিশ্চিত হয়েছে।