দেশ রূপান্তর অনুযায়ী, পাবনা মানসিক হাসপাতালে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পাবনা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম ফুয়াদ নেতৃত্বে চারজনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এনএসআইয়ের মোবাইল কোর্টে।
দালাল চক্রের সদস্যরা
দালাল চক্রের সদস্যরা হলেন: হেমায়েতপুরের শহিদুল মন্ডলের ছেলে ইদ্রিস, একই এলাকার আ. বারেকের ছেলে সুজন আলী, তৈয়েব আলীর ছেলে জাকির হোসেন ও চাঁদ আলীর ছেলে মাসুদ রানা।
অভিযানের পটভূমি
পাবনা মানসিক হাসপাতাল দেশের একমাত্র বিশেষায়িত মানসিক রোগ চিকিৎসা কেন্দ্র হওয়ায় রোগী ও তাদের স্বজনরা বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসে। দালাল চক্র রোগীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিভ্রান্ত করে বাইরের বেসরকারি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করার নামে প্রতারণা করে বিপুল টাকা আদায় করত। এই কার্যক্রমে বহুবার অভিযান চালানো হয়েছে, তবে সম্প্রতি চক্রটি পুনরায় সক্রিয় হয়ে একইভাবে প্রতারণা করছে বলে এনএসআই গোপন তথ্যে অভিযান চালায়।
অভিযানের ফলাফল ও মন্তব্য
অভিযানে দালাল চক্রের চার সদস্যকে আটক করে প্রত্যেককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এসএম ফুয়াদ বলেন, “এই চক্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান চালালেও কিছুদিন পর আবার তারা সক্রিয় হয়। সম্প্রতি সক্রিয় হয়ে রোগীর স্বজনদের হয়রানি করছিলো। অভিযানে গিয়ে দালালি কার্যক্রম চালানোর সময় হাতেনাতে তাদের ধরা হয়েছে। অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে এধরণের অন্যায় কার্যক্রম করতে দেয়া হবে না।”
সারাবাংলা ও ইত্তেফাকসহ অন্যান্য মিডিয়া একই ঘটনা প্রতিবেদন করেছে, তবে তাদের প্রতিবেদনে সদস্যদের বাসস্থান ও পূর্ণ নামের কিছু ভিন্নতা রয়েছে। সারাবাংলা অনুযায়ী ইদ্রিস মন্ডল হেমায়েতপুর ইউনিয়নের বুদেরহাট গ্রামের, সুজন আলী কিসমত প্রতাপপুর গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে, জাকির হোসেন হেমায়েতপুর গ্রামের তৈয়েব আলীর ছেলে, মাসুদ রানা একই এলাকার চাঁদ আলীর ছেলে। ইত্তেফাকেও একই তথ্য দিয়েছে। উভয় প্রতিবেদনেই ১০ দিনের কারাদণ্ডের কথা উল্লেখ আছে।






