শারদীয়া দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দময়ভাবে উদযাপন করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিএসএস অনুযায়ী, আনসার-ভিডিপির ২ লাখ ১২ হাজার ৮১৮ সদস্য এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৪০০ কর্মী তাদের-अনুরূপ দায়িত্ব এলাকায় তैनাত থাকবেন।
আনসার-ভিডিপির ত্রिस्तরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা
আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ একটি সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১৫ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী মোট ২ লাখ ১২ হাজার ৮১৮ সদস্য—১ লাখ ৪৬ হাজার ৪৮৮ পুরুষ এবং ৬৬ হাজার ৩৩০ মহিলা—তैनাত থাকবেন। এছাড়া ১০৪ স্ট্রাইক ফোর্স দলের ৬২৪ সদস্য জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত থাকবেন।
মন্দির ও পূজামণ্ডপের গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা অনুযায়ী তিনটি স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৬ হাজার ৯১৪টি মণ্ডপে প্রতিটি আট জন, গুরুত্বপূর্ণ ১১ হাজার ৭৮১টি মণ্ডপে ছয় জন এবং সাধারণ ১৪ হাজার ৪৭০টি মণ্ডপে চার জন করে আনসার সদস্য থাকবেন।
ক্ষেত্রস্তরের নিরাপত্তা নিরীক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য আনসার-ভিডিপি "শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ" ব্যবহার করবে। গ্রাম রক্ষা পার্টি (ভিডিপি) সদস্যরা পূজামণ্ডপে আগ্রহের তথ্য সংগ্রহ, ঘটনা প্রতিক্রিয়া ও अफবাহ প্রতিরোধে সাহায্য করবেন।
কোস্ট গার্ডের নদী-সমুদ্র প্রান্তিক এলাকায় তৈনাতি
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, ১৬ অক্টোবর থেকে প্রতিমা নিমজ্জনের দিন পর্যন্ত কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৪০০ কর্মী চার অঞ্চলে ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা দেখাবেন। ঢাকা অঞ্চলে ৩৭, পূর্বাঞ্চল (চট্টগ্রাম) ৬৩, পশ্চিমাঞ্চল (মংলা) ১৪৪ এবং দক্ষিণাঞ্চল (ভোলা) ৩৭১টি মন্দির ও মণ্ডপ তাদের আওতায় রয়েছে।
কোস্ট গার্ড সংবেদনশীল স্থানে পেট্রোলিং ও গুপ্তচর নিরীক্ষণ তীব্র করবে এবং স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইন বাহিনী ও পূজা উদযাপন কমিটির সাথে সমন্বয় রক্ষা করবে। প্রতিমা নিমজ্জনের সময় নদী-নালায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ, লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার ও জলপথ দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। জলদুর্ঘটনার জন্য বিশেষ ডাইভিং দল প্রস্তুত থাকবে। জরুরি সহায়তার জন্য কোস্ট গার্ডের হেলপলাইন ১৬১১১-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।






