ঢাকা পোস্টের মতে, সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ৩ নম্বর প্লাটফর্ম থেকে পঞ্চম ট্রেন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। লোকোমোটিভ ৩০২৯ নম্বর, ১৮টি কোচে যাত্রীর চাহিদা পূরণে চালু করা হয়েছে। লোকোমাস্টার মো. জাহিদুল ইসলাম মিয়া, সহকারী লোকোমাস্টার শাহ আলম এবং গার্ড ইমরুল কায়েস দায়িত্বে আছেন।
রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ও প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেলপথ সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্লাটফর্ম পরিদর্শন করেন।
ট্রেনটি ঢাকা থেকে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরববাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও চট্টগ্রাম স্টেশনে থামা করে কক্সবাজারে পৌঁছাবে; ফেরার পথে একই স্টেশনগুলোতে থামবে। সারাবাংলার প্রতিবেদনে রুটের দৈর্ঘ্য ৪৬৭.৮৩ কিলোমিটার এবং মোট ১২টি স্টেশন উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ঢাকা পোস্টে ১০টি উপজেলা উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেন (ট্রেন নম্বর ৭২২) এর আসনসংখ্যা ৭০৬, আর কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফিরে আসা ট্রেন (ট্রেন নম্বর ৭২১) এর আসনসংখ্যা ৭৩৬। তবে সারাবাংলা সূত্রে একই সংখ্যা উল্টো ক্রমে উল্লেখ করা হয়েছে। কোচগুলোতে শোভন চেয়ার (নন‑এসি), স্নিগ্ধা (এসি), এসি সিট (দিনে বসে যাতায়াত) ও এসি বার্থ (রাতে শুয়ে যাতায়াত) শ্রেণি অন্তর্ভুক্ত।
ট্রেনটি সপ্তাহে ছয় দিন চলবে; রোববারে সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে। ঢাকা পোস্টে উল্লেখ আছে যে ঢাকা থেকে রাত সাড়ে ৮টায় এবং কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায় ট্রেনটি রওনা হবে, আর সারাবাংলা প্রতিবেদনে কক্সবাজারে পৌঁছানোর সময় পরদিন সকাল ৬টা এবং ঢাকায় ফিরে আসার সময় সন্ধ্যা ৬:৩০ টা উল্লেখ করা হয়েছে।
মহানগর এক্সপ্রেসের চালু হওয়া সম্পর্কে রেলপথ মন্ত্রী রবিউল আলম জানিয়েছেন, লোকোমোটিভ ও কোচের স্বল্পতা সত্ত্বেও নতুন জোড়া ট্রেন যুক্ত করে ঢাকা‑চট্টগ্রাম‑কক্সবাজার রুটে মোট সাত জোড়া ট্রেন চালানোর লক্ষ্য রয়েছে।
এই তথ্য ঢাকা পোস্টের মতে।






