ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে সুপরিচিত ইসলামি চিন্তাবিদ মিজানুর রহমান আজহারীর মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। তিনি রোববার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। তিনি অতিরিক্ত শারীরিক শাস্তি, বেত্রাঘাত, টর্চার ব্যবহার এবং অনুপযুক্ত স্পর্শকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে সমালোচনা করেন এবং প্রতিটি মাদ্রাসায় ‘চাইল্ড সেফটি পলিসি’ প্রণয়ন ও অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা স্থাপনের আহ্বান জানান।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও তদারকি

আজহারী জোর দেন যে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও জবাবদিহিতা ও সুশাসন বজায় রাখতে হবে। তিনি প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন, নিবন্ধন, মানসম্মত পাঠ্যক্রম, দক্ষ শিক্ষক, নিরাপদ অবকাঠামো এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। হিফজখানা ও মাদ্রাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, সিসি ক্যামেরা ছাড়া পরিচালনা ইত্যাদি সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করেন।

শিশু সুরক্ষা নীতি

শাসনভিত্তিক শারীরিক শাস্তি শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে, তাই তা শিক্ষার উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আজহারী শৃঙ্খলা প্রজ্ঞা ও ভালোবাসার ভিত্তিতে গড়ে তুলতে ‘চাইল্ড সেফটি পলিসি’ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন।

প্রথম আলোর সফটওয়্যার গুণমান প্রতিবেদন

প্রথম আলোের প্রতিবেদনে এআই যুগে সফটওয়্যার গুণমানকে বাংলাদেশের নতুন রপ্তানি সম্ভাবনা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সেবা রপ্তানি প্রায় ৭২.৪৬ কোটি মার্কিন ডলার, যার ৮৭% কম্পিউটার সেবা থেকে এসেছে, তা উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও লক্ষ্য ৫০০ কোটি ডলার, বাস্তব অর্জন তা থেকে অনেক কম, তবে সফটওয়্যার টেস্টিং ও গুণমান নিশ্চিতকরণকে রপ্তানির উচ্চমূল্যের সেবা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মাদ্রাসা শারীরিক শাস্তি ও সফটওয়্যার গুণমানের বিষয়গুলো ভিন্ন ক্ষেত্রের, তবে উভয়ই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর ও সংস্কার প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ করে।