চ্যানেল ২৪ অনুসারে, গাজীপুরের টঙ্গীর একটি আবাসিক মাদ্রাসায় ছয় বছর বয়সী শিশুর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠার পর শিশুটির স্বজনদের হাতে শিক্ষককে মারধরের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
আজকের পত্রিকা প্রতিবেদনে একই ঘটনার বয়স সাত বছর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে খণ্ডকালীন শিক্ষক মোসলেম উদ্দিন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে; তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছেন।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ মাওলানা ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী একই সময়ে একটি পৃথক মামলা দায়ের করে, যেখানে শিশুর অভিভাবকসহ ১০‑১৫ জনকে মাদ্রাসায় প্রবেশ, ভাঙচুর, শিক্ষককে স্ট্যাপলার দিয়ে আঘাত এবং ক্যাশ ড্রয়ার থেকে ১.৭ লাখ টাকা চুরি করার অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি এই লুটের সিসিটিভি ফুটেজের অস্তিত্বের কথাও উল্লেখ করেছেন।
শিশুর অভিভাবক একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তিনি তার সন্তানের বিচার চাইতে মাদ্রাসায় গিয়েছিলেন, মব সৃষ্টি করতে নয়; তিনি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবিকে অস্বীকার করেছেন।
বয়স (ছয় বনাম সাত বছর) এবং আক্রমণে জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা (১০‑১৫ জন) সম্পর্কে দুই সূত্রের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে; চ্যানেল ২৪ বয়স ছয় বছর উল্লেখ করেছে, আর আজকের পত্রিকা সাত বছর বলে।






