ইত্তেফাকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি ২০০৯ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত স্থানীয় সরকার বিভাগ ও তার অধীনস্থ দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কি না তা যাচাই করার জন্য সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রস্তুত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯ অক্টোবর, পরিকল্পনা‑৩ শাখা থেকে জারি করা চিঠিতে জানানো হয়েছে যে, এই প্রতিবেদনটি আরও নিরপেক্ষ, পুঙ্খানুপুঙ্খ ও সমন্বিত তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হয়েছে; তবে চিঠিতে তদন্তের ফলাফল বা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত উল্লেখ করা হয়নি।
আজকের পত্রিকা থেকে অতিরিক্ত প্রতিবেদন
আজকের পত্রিকা চাটমোহরে একটি শিশুর ধর্ষণ মামলার বিশদ প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, একটি কিশোর চকলেট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিশুটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে। শিশুর মা তাৎক্ষণিকভাবে চাটমোহর থানা-ওসির আলিউর রহমানের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন; আলিউর রহমান জানান যে, শিশুটি চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এছাড়াও, একই প্রতিবেদনে পাবনা জেলার বিভিন্ন অপরাধের উল্লেখ রয়েছে: পাঁচ বছর বয়সী শিশুর ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় প্রধান আসামি মোস্তফা কামালের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর লোকজন তার বাড়ির মাটি লুট করেছে; বাঙ্গুড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় ১৯ বছর বয়সী জোবায়দুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে; পাবনা সদর জেলায় একটি মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রীর প্রতিবাদে মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ হয়েছে; এবং জালালপুরে দুইটি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুইজন নিহত ও দুইজন আহত হয়েছে। এই সব ঘটনাকে আজকের পত্রিকা একত্রে তুলে ধরেছে।
উল্লেখ্য, উল্লিখিত অপরাধমূলক ঘটনার তথ্য ইত্তেফাকের মূল প্রতিবেদনের অংশ নয়; সেগুলি আজকের পত্রিকার আলাদা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে।
উপরের তথ্যগুলো ইত্তেফাক এবং আজকের পত্রিকা উভয়ই প্রকাশ করেছে।






