আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, কক্সবাজারের টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে মানব পাচার চক্রের গোপন আস্তানা থেকে ছয় রাউন্ড গুলি, গুলির খালি খোসা, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং কিছু রান্নাবান্নার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার তিনটি মরদেহ পড়ে থাকার খবরের ভিত্তিতে, যৌথ বাহিনী শনিবার সকাল সাড়ে সাতটায় হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালীর পাহাড়ে চার ঘণ্টা অভিযান চালায়। সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে বিজিবি, এসআরবি, এপিবিএন ও পুলিশের দেড় শতাধিক সদস্য অংশ নেয়। অভিযানে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি।
অভিযানের সময় সশস্ত্র পাচারকারীদের সঙ্গে গুলিবর্ষণ ঘটে, যার ফলে ২৭ বছর বয়সী সৈনিক মোহাম্মদ তিতাস শেখ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তিনি শুক্রবার সন্ধ্যায় ফরিদপুরের নগরকান্দা গ্রামে দাফন করা হয়।
গতকাল (শুক্রবার) যৌথ বাহিনী একই এলাকায় মানব পাচারকারীদের গোপন বন্দিশালায় অভিযান চালিয়ে ৫৬ জনকে উদ্ধার করে, যার মধ্যে ছয়জন রোহিঙ্গা ও ৫০জন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। উদ্ধারকৃতদের পরিবারে হস্তান্তর করা হয়েছে। টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, এখনো সৈনিকের মৃত্যুর বিষয়ে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
পুলিশ সুপারintendেন্ট এ এন এম সাজেদুর রহমান উল্লেখ করেন, অভিযানের পরেও কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মানব পাচার চক্রের তৎপরতা নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাবে।






