সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে তাওহিদ হৃদয় ২৪২* নটআউট করে ডাবল সেঞ্চুরি করেন, যার ফলে বাংলাদেশ ৩৮৬ রানে পশ্চিম ইন্ডিজের ৩৫৬ রানের তুলনায় ৩০ রানের সুবিধা পায়। এই তথ্য দেশ রূপান্তর (২০২৬-১১-০৭) অনুসারে।

হৃদয়ের ইনিংসে তিনি ১১টি ছক্কা মারেন; টেস্টে এক ইনিংসে ১২টি ছক্কা মেরেছেন ওয়াসিম আকরাম ও যশস্বী জয়সোয়াল, আর হৃদয়ের ছক্কা ছাড়া আরও ছয়জন খেলোয়াড় ১১টি করে ছক্কা করেছেন।

সঙ্গী পার্টনারশিপ ও উইকেট তথ্য

দেশ রূপান্তর অনুযায়ী, তাইজুল আউট হওয়ার পর হৃদয় ও সঙ্গী ৮৫ রানের জুটি গড়ে দেন; তাসকিন আহমেদ (২৯ বলে ১২ রান) আউট হলে ১১২ ওভারের ইনিংস শেষ হয়। তবে ঢাকা পোস্ট (২০২৬-১১-০৭) প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে ৭ম উইকেট পর্যন্ত বাংলাদেশ ১৮৪ রানে আউট হয় এবং অষ্টম উইকেটে তাইজুল ও সঙ্গীর ১১৭ রানের জুটি গড়ে দলকে ফিরে আসে। উভয় সূত্রই সাদমান ইসলাম চোটের কারণে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করতে পারেননি বলে উল্লেখ করেছে।

ঢাকা টাইমস (২০২৬-১১-০৭) প্রতিবেদনে হৃদয়ের এই ডাবল সেঞ্চুরি তাকে বাংলাদেশের ইতিহাসের চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরি অর্জনকারী ব্যাটার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে; পূর্বে মুশফিকুর রহিমের ২১৯ রানের রেকর্ড এবং মুমিনুল হকের ১৮১ রানের সেঞ্চুরি রেকর্ড ভেঙে তিনি সর্বোচ্চ টেস্ট ইনিংসের ধারক হয়েছেন।

এই সব তথ্য দেশ রূপান্তর, ঢাকা টাইমস ও ঢাকা পোস্টের প্রকাশনা অনুসারে সংগ্রহ করা হয়েছে।