ডয়চে ভেলে বাংলা অনুসারে, ফ্রান্সে ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলন ৩১ অক্টোবর নতুন কর্মসূচি চালু করার পর পুনরায় বিক্ষোভ শুরু করেছে। আন্দোলনের আয়োজকরা প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁকে ‘কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা’ বলে সমালোচনা করে, পার্লামেন্ট ও বিভিন্ন শহরের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সমাবেশের পরিকল্পনা করেছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও স্থান বন্ধ
সিকিউরিটি উদ্বেগের কারণে ২৪ অক্টোবর প্যারিসের বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় পর্যটন স্থান বন্ধ রাখা হয়েছে। ল্যুভর, অরসে, পিকাসো জাদুঘর এবং গ্র্যান্ড প্যালেস (যেখানে পল সেজানের বড় প্রদর্শনী চলছিল) সহ আর্ট বাসেল প্যারিস, টুইলারি গার্ডেনস, আর্ক দে ত্রিয়ঁফ এবং সংশ্লিষ্ট শঁজ-এলিজ সড়কগুলোতে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবরের বড় বিক্ষোভে সহিংসতা ঘটেছিল; তাই একই রকম পরিস্থিতি পুনরাবৃত্তি না হওয়ার আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশের মোতায়েন
ডয়চে ভেলে বাংলা এবং চ্যানেল আই উভয়ই উল্লেখ করেছে যে ফরাসি কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে প্রায় ৭০,০০০ পুলিশ সদস্য এবং বিশেষায়িত ইউনিট মোতায়েন করেছে। এই সংখ্যা চ্যানেল আই‑এর প্রতিবেদনে উল্লেখিত, যা নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য নেওয়া হয়েছে।
ইয়েলো ভেস্টের সমাবেশ পরিকল্পনা
একজন সমন্বয়কারী প্যারিসের বাসিল চত্বরে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, আগামী শনিবার (যে তারিখটি মূল টেক্সটে উল্লেখ নেই) তারা বিক্ষোভের অধিকার ও অন্যান্য স্বাধীনতার পক্ষে প্রতিবাদ জানাবে। তবে ইউনিয়নগুলোর একটি মিছিলকে রাজধানীর বাইরে সরিয়ে নেওয়ার জন্য পুলিশ নির্দেশ দিয়েছিল, যা ইয়েলো ভেস্টের সদস্যরা অস্বীকার করেছে।
ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা
ফ্রান্সে বিক্ষোভ ও অশান্তির পরিপ্রেক্ষিতে, প্যারিসের ভারতীয় দূতাবাস বুধবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করে নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সকল ভারতীয় নাগরিককে সমাবেশে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে এবং ভিড়ের মধ্যে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। দূতাবাস উল্লেখ করেছে যে, কিছু অঞ্চলে স্থানীয়ভাবে কার্ফু জারি করা হয়েছে এবং নাগরিকদের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের আপডেট অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
এই তথ্যগুলো ডয়চে ভেলে বাংলা, দেশ রূপান্তর এবং চ্যানেল আই‑এর প্রতিবেদন থেকে সংকলিত, যেখানে কিছু বিবরণ (যেমন নির্দিষ্ট কার্ফুর অঞ্চল) শুধুমাত্র ভারতীয় দূতাবাসের বিবৃতিতে উল্লেখিত।






