ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি দাবি করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মূলত গণমাধ্যমে প্রচারের উদ্দেশ্যে বারবার ইরানকে হুমকি দিচ্ছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

মোহেব্বি অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র কার্যকর অভিযান চালাতে পারবে না—এ বিষয়টি শত্রুপক্ষ অন্য সবার চেয়ে ভালো জানে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে সম্ভাব্য নতুন হামলার সিদ্ধান্ত আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর নেওয়া হবে। তবে ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন যে, তিনি নতুন সামরিক অভিযান চালিয়ে যেকোনো সময় ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারেন।

আইআরজিসি মুখপাত্র মন্তব্য করেন, যুদ্ধসংক্রান্ত মার্কিন বিবৃতিগুলোর উদ্দেশ্য হলো গণমাধ্যমে প্রচারণা করা ও ইরানের জনগণের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করা। তিনি স্পষ্ট করেন, যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক হামলা চালালে তার জবাব দিতে ইরান প্রস্তুত। এমনকি সীমিত পরিসরে কোনো পদক্ষেপ নিলেও সশস্ত্র বাহিনীর বর্তমান প্রস্তুতি ও কার্যপরিকল্পনার কারণে ইরানের জবাব হবে কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী।

এদিকে, বিএসএস/এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান শনিবার বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিক চাপ বেড়ে যাওয়ায় অনেক ইরানি নাগরিক খাবারের জন্য লড়াই করছেন। পেজেশকিয়ান আহ্বান করেছেন "নeder যুদ্ধ নeder শান্তি" এর এই অবস্থা থেকে বের হওয়ার জন্য।

বিএসএস রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই যুদ্ধ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালিয়েছিল এবং সുപ്രീম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই ও كبار সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা হয়েছিল। জুন মাঝপথে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় বিরাম সংযম চুক্তি হয়েছিল যা পরে ভাঙল। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ছিটপুট হামলা চালাচ্ছে এবং ইরান হরমুজ স্ট্রেইটে জাহাজগুলিকে লক্ষ্য করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের তুর্কিয়ে দূত টম বারাক শুক্রবার বলেছিলেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এই সপ্তাহের শেষেই আবার শুরু হতে পারে। এই বিষয়ে ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে কোনো উল্লেখ নেই।