প্রথম আলোর একটি রিপোর্টে ইবাদত কবুলের চারটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তের কথা বলা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, নামাজ, রোজা, দান-সদকা বা মানুষের উপকার—সবই নেক আমল হলেও শুধু আমল করাই যথেষ্ট নয়; সেটি আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়াও জরুরি।
১. বিশুদ্ধ ইমান থাকা
নেক আমল কবুল হওয়ার মৌলিক শর্ত হলো ইমান। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, তাঁর নির্দেশনার প্রতি আনুগত্য এবং শিরক থেকে মুক্ত থাকা মুমিনের জীবনের ভিত্তি। সুরা নিসায় আল্লাহ ফরমান করেছেন, মুমিন অবস্থায় সৎকর্ম করার वालেরা জান্নাতে প্রবেশ করবে (আয়াত ১২৪)।
২. সুন্নত অনুযায়ী আমল করা
ইবাদত অবশ্যই রাসুল (সা.)-র নির্দেশনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। ধর্মের নামে ভিত্তিহীন কোনো নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করা গ্রহণযোগ্য নয়। সহিহ বুখারিতে এসেছে, যারা دینে নতুন কিছু সৃষ্টি করবে যা এর অংশ নয়, সেটি প্রত্যাখ্যাত (হাদিস ২৬৯৭)।
৩. হালাল খাবার গ্রহণ করা
নেক আমল কবুলের জন্য হালাল উপার্জন ও পবিত্র খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সহিহ মুসলিমে বর্ণিত হাদিস অনুযায়ী, যাদের খাবার, পানীয়, পোশাক ও উপার্জন হারাম, তাদের দোয়া কবুল হওয়া কঠিন। আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র বস্তু ছাড়া গ্রহণ করেন না।
৪. আমলে ‘ইখলাস’ থাকা
ইবাদত একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা উচিত, মানুষের প্রশংসা বা সামাজিক মর্যাদার জন্য নয়। সুরা বাইয়্যিনাহ (আয়াত ৫) ও সুরা মাউন (আয়াত ৪-৬)-এ লোকদেখানোর জন্য ইবাদত করার वालেদের নিন্দা করা হয়েছে। এটিকে ইসলামে ‘রিয়া’ বলা হয় যা কঠোরভাবে নিন্দিত।
লেখক: রায়হান আল ইমরান (আলেম, লেখক ও গবেষক)।






