ঢাকা সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের তোহফাতুল জান্না মহিলা মাদ্রাসায় ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে শিক্ষক ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। প্রথম আলো অনুসারে, ঘটনার সময় শিক্ষার্থী জুতা আনতে নিচতলায় গিয়ে শিক্ষক (বয়স ৫০) তাকে একটি কক্ষে নিয়ে মুখ চেপে ধর্ষণ করেন এবং হুমকি দিয়ে গোপন রাখতে বলেন। একই সময়ে শিক্ষকের স্ত্রী (বয়স ৪০)ও শিক্ষার্থীকে হুমকি দেন।
মাদ্রাসা বাবুর্চি উপস্থিত থাকলে শিক্ষক তার স্ত্রীকে নিয়ে দ্বিতীয় তলায় চলে যান, এরপর শিক্ষার্থী মাদ্রাসা ছেড়ে বাড়ি ফিরে যায়। পরিবার ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাটি জানার পর মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষকের স্ত্রীকে আটক করে, তবে শিক্ষক কৌশলে পালিয়ে যান।
আইনি পদক্ষেপ
শিকারের দাদা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বুধবার রাতেই শিক্ষক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সাভার মডেল থানার পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে জানান, শিক্ষকের স্ত্রী ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে এবং শারীরিক পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
বাংলা ট্রিবিউন একই ঘটনা রিপোর্ট করে, যেখানে মাদ্রাসা প্রধান শিক্ষককে মাওলানা মো. আব্দুল বারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তিনি পলাতক। উভয় সংবাদমাধ্যমই শিক্ষকের স্ত্রী গ্রেফতার এবং শিক্ষক পলাতক হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এই তথ্যগুলো প্রথম আলো ও বাংলা ট্রিবিউন উভয়ই প্রদান করেছে।






