বার্তা২৪ অনুযায়ী, খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি জোর দিয়ে বলেছেন যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়িয়ে, জ্ঞান‑বিনিময় ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হতে পারে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন যে দীর্ঘমেয়াদে শস্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
সমকালের প্রতিবেদনে একই দিনে, সচিবালয়ের খাদ্যমন্ত্রীর অফিসে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারকে স্বাগত জানিয়ে, দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় শস্য আমদানি, দীর্ঘমেয়াদি শস্য সংরক্ষণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও যোগাযোগ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত ছিল। সমকাল উল্লেখ করেছে যে গত অর্থবছরে পাকিস্তান থেকে প্রায় ৫০,০০০ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছিল, যা সময়মতো পৌঁছেছে এবং গুণগত মান সন্তোষজনক বলে মন্ত্রী প্রশংসা করেছেন।
মন্ত্রীর মতে, বাংলাদেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত শস্য মজুদ রয়েছে, তবে গুণগত মান বজায় রেখে দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই ক্ষেত্রে পাকিস্তানের প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সহায়ক হতে পারে, এ বিষয়ে তিনি পাকিস্তানের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সরাসরি বিমান সংযোগের সুবিধা উল্লেখ করে বলেছেন যে এটি মানুষদের যাতায়াত সহজ করেছে, বিশেষ করে করাচিতে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য। তিনি পাকিস্তানে বাংলাদেশের সিরামিক, পান ও আনারসের চাহিদা ও বাজার সম্ভাবনা তুলে ধরেছেন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ অর্থায়নে বৃত্তি সহ উচ্চশিক্ষার সুযোগের কথাও উল্লেখ করেছেন।
দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে মন্ত্রীর মন্তব্যের সঙ্গে যুক্ত করে বলা হয়েছে যে কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়িয়ে বাণিজ্য সহজীকরণ ও কার্যকর সহযোগিতা সম্ভব।






