বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাপকভাবে সহজ করে দিয়েছে। ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন মাত্র দুই ধাপে পুরো আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব।

প্রথম ধাপ: লার্নার লাইসেন্স সংগ্রহ

আবেদনকারীকে প্রথমে বিআরটিএর সেবা পোর্টাল (বিএসপি)-এ অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। তারপর নিবন্ধিত চিকিৎসকের মেডিকেল সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইউটিলিটি বিলের কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র আপলোড করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এক ক্যাটাগরির (মোটরসাইকেল বা কার) লার্নার লাইসেন্সের ফি ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির (মোটরসাইকেল ও কার) ফি ৭৪৮ টাকা নির্ধারিত।

দ্বিতীয় ধাপ: প্রশিক্ষণ, পরীক্ষা ও চূড়ান্ত লাইসেন্স

লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর আবেদনকারীকে গাড়ি চালনার প্রশিক্ষণ নিতে হবে। লার্নার কার্ডে উল্লিখিত তারিখে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক (ফিল্ড টেস্ট) পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে বিএসপি পোর্টালের মাধ্যমে চূড়ান্ত লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি ৪ হাজার ৬২৮ টাকা এবং পেশাদার লাইসেন্সের ফি ২ হাজার ৮৩২ টাকা। পেশাদার লাইসেন্সের জন্য সরকারি হাসপাতাল বা অনুমোদিত ল্যাব থেকে 'ডোপ টেস্ট' সনদ জমা দিতে বাধ্যতামূলক।

চূড়ান্ত আবেদন অনুমোদিত হলে আবেদনকারী অনলাইন প্রোফাইল থেকে কিউআর কোডযুক্ত 'ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স' ডাউনলোড করতে পারবেন। অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করলে সরকারি ফির বাইরে ব্যাংকিং বা গেটওয়ে সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।