স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বর্তমান বছরে ডেঙ্গুতে মোট ১,07,259 রোগী ভর্তি হয়েছে এবং ৩৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১৬ থেকে ৩০ বছর বয়সের রোগীর সংখ্যা ৪২ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক, এবং এই গোষ্ঠিতে পুরুষ রোগীর সংখ্যা নারীর প্রায় দ্বিগুণ।
বয়সভিত্তিক ভর্তি সংখ্যা: ১৬‑২০ বছর ১৪,৫২২ জন, ২১‑২৫ বছর ১৫,৩৮২ জন, ২৬‑৩০ বছর ১৫,১৯৫ জন। মৃত্যুর ক্ষেত্রে ২৬ শতাংশ (৮৭ জন) ১৬‑৩০ বছর গোষ্ঠীর, যেখানে ২৬‑৩০ বছর গোষ্ঠিতে ৪৩ জন, ২১‑২৫ বছর গোষ্ঠিতে ২২ জন এবং ১৬‑২০ বছর গোষ্ঠিতে ২২ জন মারা গেছেন।
ডেঙ্গুতে নারীর মৃত্যু হার বেশি দেখা যাচ্ছে। ২০২৩ সালে মৃতদের ৫৭% নারী, ২০২৪ সালে ৫১% নারী এবং ২০২৫ সালে ৪৮% নারী। একই সময়ে নারীর রোগীর শতাংশ যথাক্রমে ৫৭%, ৬% এবং ৩৭% (এই সংখ্যা সূত্রে উল্লেখ আছে, তবে সঠিকতা যাচাই প্রয়োজন)।
আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক হোসেন বলেন, ১৬‑৩০ বছর বয়সের বেশি রোগী পাওয়া নতুন প্রবণতা নয়; এই বয়সের মানুষ শিক্ষার, কর্মসংস্থানের ও সামাজিক কার্যকলাপে বেশি বাইরে থাকে, ফলে এডিস মশার সংস্পর্শে বেশি আসে। তবে সুনির্দিষ্ট কারণ জানার জন্য আরও গবেষণা দরকার।
আইইডিসিআরের পরিচালক কাজী আহমেদ জাকী জানিয়েছেন, এই বছর ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুর ‘ডেথ রিভিউ’ করা হবে, যাতে নারীর উচ্চ মৃত্যুহারের কারণ বিশ্লেষণ করা যায়।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি‑মে পর্যন্ত ৩,১৯৭ রোগী ভর্তি হয়েছে; জুনে ২,৯০৭, জুলাইতে ৯,২০৬, আগস্টে ২০,৫৩৬, সেপ্টেম্বরের শেষে ৪৩,৭৭৪ এবং অক্টোবরের প্রথম ১৫ দিনে প্রায় ২৭,৫০০ রোগী ভর্তি হয়েছে। এ ধারা অনুসারে, জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানো, ঢাকা মেডিকেল কলেজে অস্থায়ী ফিল্ড হাসপাতাল চালু করা এবং অন্যান্য হাসপাতালের শয্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এই তথ্যগুলো আজকের পত্রিকা থেকে নেওয়া হয়েছে।






