দৈনিক অবজারভার অনুসারে, বিএনপি’র প্রার্থী মির্জা ফয়সাল আমিন থাকুরগাঁও-১ আসনের বাই-ইলেকশনে অপ্রতিদ্বন্দ্বীভাবে জয়লাভ করেছেন। তিনি পার্টির শস্যের গাঁথা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ফলাফল ঘোষণার মাধ্যমে নতুন সংসদ সদস্যের শিরোপা অর্জন করেছেন।

থাকুরগাঁও-১ আসনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার কামরুল ইসলাম (কিছু সূত্রে মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম) বৃহস্পতিবার রাতের দিকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ফলাফল ঘোষণা করেন। দৈনিক অবজারভার উল্লেখ করেছে যে ভোটিং সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষক ব্যবস্থা

ভোটের সময় ২১টি প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, ২,২৭২ পুলিশ কর্মী এবং ২,৪০৫ আন্সার সদস্য নিরাপত্তা রক্ষায় মোতায়েন করা হয়। এছাড়া নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির সদস্য, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটও দায়িত্ব পালন করেন। মোট ১৭৭টি দেশীয় ও স্থানীয় পর্যবেক্ষক এবং চারজন বিদেশি পর্যবেক্ষক নির্বাচনে অংশ নেন।

ফলাফলের পার্থক্য

বিএসএস (BSS) অনুযায়ী, মির্জা ফয়সাল আমিন ২,২৭,৯১৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন, আর জামাত‑ই‑ইসলামির প্রার্থী দেলওয়ার হোসেন ৯৬,৫১৩ ভোট পেয়েছেন। অন্য প্রার্থীদের ভোট সংখ্যা BSS-এ উল্লেখ আছে: আবদুল আলিম নিজামি (৮৩৬), হুসেইন মোহাম্মদ ওমর ফারুক (৪৫০), খাদেমুল ইসলাম (৩,২৮৯)। তবে ঢাকা ট্রিবিউন (Dhaka Tribune) একই প্রার্থীর ভোট সংখ্যা ২,২৭,৭৮৯ এবং ৯৬,৪৫৩ হিসেবে রিপোর্ট করেছে। নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা ও টার্নআউট শতাংশেও BSS (৫১৫,৮৫১ ভোটার, ৬৪.৮১%) ও ঢাকা ট্রিবিউন (৫১৬,১৩৮ ভোটার, ৬৪.৭৭%) মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

এই পার্থক্যগুলো উভয় সূত্রের রিপোর্টে উল্লেখিত, তাই প্রকাশের আগে সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এই নির্বাচনের পূর্বে থাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ছিল, কারণ পূর্বের আইনসভা সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের প্রেসিডেন্ট পদ গ্রহণের ফলে আসন ত্যাগ করেন।

দৈনিক অবজারভার অনুসারে, মির্জা ফয়সাল আমিনের জয় থাকুরগাঁও-১ অঞ্চলে বিএনপি’র রাজনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।