বিজেপি দল তার মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারির মাধ্যমে রাহুল গান্ধী ও তার ‘পুরো ইকোসিস্টেম’কে ভারতে বাংলাদেশ‑সদৃশ নৈরাজ্য গড়ার চেষ্টা করার অভিযোগ তুলেছে। ভান্ডারি ১৫ অক্টোবর দিল্লির বিজেপি সদর দপ্তরে একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাহুল ও তার সহযোগীরা কেন্দ্রীয় ক্ষমতা দখল এবং ‘সরকার পরিবর্তন’কে লক্ষ্য করে এই পরিকল্পনা করছেন।

এটি বামপন্থী ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ)ের নেত্রী নেহা বোরার একটি মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলা হয়। ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে নেহা বোরার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ভান্ডারির এই মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। ভান্ডারি উল্লেখ করেন, “এটি কোনো রাজনৈতিক প্রতিরোধ নয়; এটি একটি নৈরাজ্যবাদী মিছিল এবং নৈরাজ্যবাদী বিদ্রোহ। এদের লক্ষ্য শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো।”

ভান্ডারি আরও যোগ করেন, “রাহুল গান্ধীর উদ্দেশ্য গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ নয়, বরং নৈরাজ্যকে গ্রহণ করা এবং তাকে বৈধতা দেওয়া। এটি (কংগ্রেসের) ভারতীয় রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি লড়াই।”

নেহা বোরা পূর্বে একটি ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ভারতের তরুণদেরও বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদে অংশ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, দুই দেশের তরুণদের আন্দোলনের অভিজ্ঞতার মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার গ্যাণেশ কুমারের পদত্যাগ ও ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে ২ অক্টোবর থেকে দিল্লিতে তরুণ সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলেছে। কংগ্রেস ও তার জোট ‘ইনডিয়া’ এই আন্দোলনে সমর্থন জানায়। একই সময়ে গ্যাণেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেস‑নেতৃত্বাধীন ‘ইনডিয়া’ জোটের একটি পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নেহা বোরা ও অন্যান্য বামপন্থী নেতাকর্মী অংশ নেন।

উল্লেখ্য, এই তথ্যগুলো ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা অনুসারে সংগ্রহ করা হয়েছে।