বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্স জানিয়েছে, তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে রেকর্ড ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির ঘটনায় খোয়া যাওয়া অর্থের ৯০ শতাংশের সমপরিমাণ টোকেন পুনরায় কিনেছে তারা। বাকি ১০ শতাংশ টোকেনের তারল্য কমে যাওয়ায় সেগুলো কিনতে আরও সময় লাগতে পারে। বাইন্যান্সের সহ-সিইও রিচার্ড টেং জানিয়েছেন, বাকি ১০ শতাংশ অর্থের দায়ও প্রতিষ্ঠানটি নেবে।

হ্যাকিংয়ের ঘটনার পর ব্যবহারকারীদের অর্থ উত্তোলন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল বাইন্যান্স। তবে পরে কিছু ক্ষেত্রে অর্থ উত্তোলন আবার চালু হয়েছে। ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে এ সুবিধা চালু করা হবে। ব্লকচেইন বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, হামলার মূল অংশটি সম্পন্ন করতে হ্যাকারদের সময় লেগেছে মাত্র ২০ মিনিট।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই নিশ্চিত করেছে, বাইন্যান্সে হামলার পেছনে উত্তর কোরিয়াসংশ্লিষ্ট হ্যাকার গোষ্ঠী ‘ট্রেডারট্রেইটর’ রয়েছে। এর আগে বেসরকারি তদন্তকারী ও বিশ্লেষকেরাও একই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। ধারণা করা হয়, ট্রেডারট্রেইটর উত্তর কোরিয়াসংশ্লিষ্ট লাজারাস গ্রুপের অংশ। এই গোষ্ঠীর সঙ্গে ২০১৪ সালে সনি পিকচার্সে সাইবার হামলার অভিযোগে আলোচনায় আসার ইতিহাস রয়েছে।

এদিকে হ্যাকিংয়ের খবর প্রকাশের পর বিটকয়েনের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমে যায়। ইথেরিয়ামের দর কমে প্রায় ৬ শতাংশ এবং বাইন্যান্সের নিজস্ব ক্রিপ্টোকারেন্সি বিএনবির দাম কমে প্রায় ১০ শতাংশ।