ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ২৫ অক্টোবর (রবিবার) জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে সুইডেনের ঢাকা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকসের সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাতে দু'দেশের সংসদীয় সম্পর্ক জোরদার, সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন, বাণিজ্য‑বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ক্রীড়া‑সংস্কৃতি সহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থের নানা বিষয় আলোচনা হয়। স্পিকার সুইডেনকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে, বঙ্গোপসাগরের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে মজুদ তেল‑গ্যাসের উত্তোলনে সুইডিশ শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

সুইডেনের পার্লামেন্টের বৈশিষ্ট্য

রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস সুইডেনের পার্লামেন্টে মোট ৩৪৯টি আসন রয়েছে এবং সদস্যরা সরাসরি ভোটে চার বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন বলে জানিয়ে, সুইডেনের সাংবিধানিক রাজতন্ত্রে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা মূলত পার্লামেন্ট ও নির্বাচিত সরকারের হাতে থাকে, তা তুলে ধরেছেন।

সাক্ষাতে সুইডিশ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ইত্তেফাকের একই ঘটনাবলীর প্রতিবেদনেও স্পিকার ও নিকোলাস উইকসের সাক্ষাৎ, তারিখ ও স্থান একইভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং সুইডেনের এক-কক্ষবিশিষ্ট সংসদীয় ব্যবস্থা সম্পর্কে একই তথ্য প্রদান করা হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে স্পিকারের স্বীকৃতি ও তেল‑গ্যাস বিনিয়োগের আহ্বান একই রকম, তবে অতিরিক্তভাবে তিনি ১৭ বছরের শাসনামলে চোরাচালান হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ঢাকা পোস্টের মূল প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

বার্তা২৪ের প্রতিবেদনেও শিরোনাম ও মূল তথ্য মূলত ঢাকা পোস্টের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এই তথ্যগুলো ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংকলিত এবং অন্যান্য আউটলেটের অতিরিক্ত মন্তব্য আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে।