কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের অফিসে ১৪ অক্টোবর সংঘটিত ঘটনার পর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ১৫ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক করে। এই বৈঠকটি দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি সভাপতিত্ব করেন এবং নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জামায়াতের সংবিধানের ১৬ ধারার ৩ উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ এবং ৬৩ ধারার ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরীর সংগঠন ও ইমারাত ভেঙে দেওয়া হয়। এখন থেকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে মহানগরীর সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যার দায়িত্বে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম থাকবেন।
এছাড়া, ১৪ অক্টোবরের ঘটনার তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান নিযুক্ত করা হয়েছে। কমিটিকে এক সপ্তাহের মধ্যে আমিরের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে; প্রতিবেদন পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
ঢাকা পোস্টের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি (১৬ অক্টোবর) অনুসারে, এই তথ্য কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। উভয় সূত্রই একই সিদ্ধান্ত ও কমিটি গঠন উল্লেখ করেছে।
উল্লেখ্য, উপরের তথ্য দেশ রূপান্তর এবং ঢাকা পোস্টের প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংকলিত হয়েছে।






