মিয়ানমারের গৃহবন্দি নেত্রী অং সান সু চি-কে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর তার ছেলে কিম আরিস ফোনে কথা বলতে পেরেছেন। কিম আরিস বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ফেসবুকে পোস্ট করে জানান, "আজ অবশেষে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর আমার মা অং সান সু চির সঙ্গে কথা বলতে পেরেছি। আবার তাঁর কণ্ঠ শুনতে পারার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।" এই তথ্য দেশ রূপান্তর অনুযায়ী।

বন্দি অবস্থার পটভূমি

মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, অং সান সু চি নেপিদোতে গৃহবন্দি রয়েছেন। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে তিনি জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তিনি ১৯৯১ সালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কারও পেয়েছেন।

কথোপকথনের ব্যবস্থা সম্পর্কে ভিন্ন ব্যাখ্যা

কিম আরিসের পোস্টে কলের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি স্পষ্ট করা হয়নি। তবে প্রথম আলোর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মিয়ানমার সামরিক-সমর্থিত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের মুখপাত্র লন্ডনের মিয়ানমার দূতাবাসের মাধ্যমে টেলিফোনে সংযোগের কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে আজকের পত্রিকায় বলা হয়েছে যে, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের উদ্যোগে ২০ মিনিটের এই কথোপকথনটি আয়োজিত হয়েছে। উভয় সূত্রই কলটি লন্ডনে ঘটেছে বলে নির্দেশ করে, তবে সংযোগের দায়িত্বে কে ছিল তা স্পষ্ট নয়।

কিম আরিস উল্লেখ করেছেন যে, তার মা এখন ৮১ বছর বয়সী এবং এখনও অন্যায়ভাবে আটক রাখা হয়েছে। তিনি একবারের কথোপকথনকে পরিবারিক নিয়মিত যোগাযোগের নিশ্চয়তা হিসেবে দেখেন না।

আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

অং সান সু চির আটকাবস্থা ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সীমিত সুযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। দেশ রূপান্তর এই উদ্বেগের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করেছে।